আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
- আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।
- স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা।
- গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট ।
Related Questions
- লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তার প্রথম পুত্র বিশ্বরূপ সেন (১২০৬ - ১২২৫) রাজা হন।
- বিশ্বরূপ সেনের পর রাজা হন লক্ষ্মণ সেনের দ্বিতীয় পুত্র কেশব সেন(১২২৫-১২৩০)।
- কেশব সেনই ছিলেন সেন বংশের শেষ শাসনকর্তা।
- যদিও বিশ্বরূপের শাসনামলেই কেশব সেন বিক্রমপুর শাসন করেন।
- প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোন অখন্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেওয়া হয় জনপদ।
- এ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার ছোট বড় ১৬ টি জনপদের কথা জানা যায়।
- তাদের মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র নামে একটি জাতি বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী,রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- প্রাচীন গৌড় জনপদ ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গড়ে ওঠে।
- হরিকেল জনপদটির অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে, মনে করা হয় আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল।
- হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিঙের প্রাণকেন্দ্র।
ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
মৃৎক্ষার ধাতুর লবণ হওয়ায় এমনটি ঘটে।
ক্ষারধাতুর কার্বনেটসমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়।
কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই ৪টি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিন তৈরি হয়। শরীরে আমিয পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামিনো এসিড দিয়ে।
জব সলুশন