শুদ্ধ বাক্য নয় কোনটি?
'অকারণে ঋণ করিও না' এর শুদ্ধরূপ হলো 'অকারণে ঋণ কোরো না'।
Related Questions
সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিলো সোনারগাঁও।
- মুঘল আমলের মধ্যেভাগে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন শুরু হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলা জয় করে এর নাম দেন সুবা বাংলা। এই সময় বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের আগমন ঘটে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সেনাপতি সুবেদার ইসলাম খান চিশতি চূড়ান্ত ভাবে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর।
- এর পরে ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় বাংলার রাজধানী করে ঢাকা।
- কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন হয় ১৬৯০ সালে।
রাজা শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে গৌড় অঞ্চলের ক্ষমতা দখল করে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে 'কর্ণসুবর্ণে 'রাজধানী স্থাপন করেন । প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কই প্রথম সার্বভৌম শাসক যিনি পুরো বাংলাকে একত্রিত করতে পেরেছিলেন।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।
- মৌর্য বংশের তৃতীয় শাসক অশোক,যাকে বৌদ্ধ ধর্মের কনস্টেনটাইন বলা হয় ।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল ।
- গারো উপজাতিদের আবাসস্থল মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।
- বিরিশিরি নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম।
- স্থানীয় অধিবাসীদের ৬০ ভাগ গারো আদিবাসী ৩০ ভাগ মুসলিম, বাকি ১০ ভাগ হিন্দু ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী।
- সোমেশ্বরী নদীই দুর্গাপুর ও বিরিশিরিকে আলাদা করেছে।
বাংলাদেশ সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
• প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
• দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
• তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
• চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
• পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
• ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
• সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- ৪র্থ তফসিল ১৫০ (১) অনুচ্ছেদ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- এই তফসিলের ৩ (৩) ধারা অনুযায়ী এই সংবিধানের যে বিধান সংসদের উপর আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে, উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে সংসদ প্রথমবার মিলিত না হওয়া পর্যন্ত সেই বিধান রাষ্ট্রপতিকে আদেশের দ্বারা আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত কোন আদেশ এইরূপ সক্রিয় হইবে, যেন তাহার বিধানাবলী সংসদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হইয়াছে।
- ১৭(২) অনুযায়ী এই সংবিধান-প্রবর্তনের পূর্বে প্রচলিত অস্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থা হইতে এই সংবিধানের বিধানাবলীতে উত্তরণের জন্য উদ্ভূত যে কোন অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্দেশ দান করিতে পারিবেন যে, অনুরূপ আদেশে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য তাঁহার বিবেচনায় যেরূপ আবশ্যক বা সমীচীন হইবে, সেইরূপ পরিবর্তন, সংযোজন বা পরিবর্জনের মাধ্যমে গৃহীত উপযোগীকরণ- সাপেক্ষে এই সংবিধানের কার্যকর হইবে।
জব সলুশন