ধ্বনি- পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত?
শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান বিনিময় বা অদলবদল করে উচ্চারিত হলে তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। অর্থাৎ উচ্চারণের সময় মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন করাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হলো: চাকরি ˃ চারকি, লাফ ˃ ফাল, বাক্স ˃ বাস্ক, রিক্সা ˃ রিস্কা, পিশাচ ˃ পিচাশ, নকশা ˃ নশকা ইত্যাদি।
Related Questions
বাকী বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ ঃ
অশুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
শুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই।
অশুদ্ধ বাক্য: আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
অশুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম ।
শুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম ।
যেসব সন্ধিসমূহ স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধি বা বিসর্গসন্ধির নিয়মগুলো মেনে চলে না, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। তৎসম শব্দের সন্ধিতেই শুধু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হয়।
উদাহরণঃ
- কুল+অটা= কুলটা,
- গো+অক্ষ= গবাক্ষ,
- প্র+ঊঢ়= প্রৌঢ়,
- অন্য+অন্য= অন্যান্য,
- মার্ত+অণ্ড= মার্তণ্ড,
- শুদ্ধ+ওদন= শুদ্ধোদন ইত্যাদি।
‘ইতরবিশেষ‘ বাগধারার অর্থ পার্থক্য বা ভিন্নতা। অন্যদিকে ‘গভীর জলের মাছ“ চালাকি অর্থে; আমড়া কাঠের ঢেঁকি ও অকাল কুষ্মাণ্ড বাগধারার অর্থ অপদার্থ।
শুদ্ধ বানান মুমূর্ষু ।
মুমূর্ষু এর সঠিক বানান মু + মূ + র্ষু । আর বাকি বানান গুলো - মুমুর্ষু , মূমুর্ষ, মুমূর্ষ ভুল বানান । সুতরাং সঠিক উত্তর (b) ।
ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে চিন্তাবিপ্লব ঘটেছিল। এগার শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের আবির্ভাবের ফলে এ উপমহাদেশে মানুষের মধ্যে চিন্তাশক্তির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে সুফি-মাশায়েখগণের ইসলাম প্রচারের ফলে নিম্নবর্গের হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষের মধ্যে চিন্তশক্তির বিপ্লব ঘটে।
জব সলুশন