নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
কবিতার কথা বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙ্গালী কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে।
- শেষের কবিতা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত।
- দিবারাত্রির কাব্য : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। প্রধান চরিত্র- হেরম্ব ও আনন্দ প্রমুখ।
- পল্লী-সমাজ : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
Related Questions
বিষের বাঁশী কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিদ্রোহ, বিপ্লব, রহস্যবাদ, দেশাত্মবোধ, মানবতাবাদ, প্রকৃতি প্রেম, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য, উদারনৈতিক মানবতাবোধ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচারের কবিতা রয়েছে।
- সিন্ধু-হিন্দোল কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি প্রেম, দেশাত্মবোধ, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- চক্রবাক কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি প্রেম, দেশাত্মবোধ, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থে 'বিদ্রোহী', 'আগমনী', 'উমা', 'খোদার আসন', 'চল্ চল্ চল্' ইত্যাদি কবিতা ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য, উদারনৈতিক মানবতাবোধ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচারের বার্তা বহন করে।
সুতরাং, 'অগ্নি-বীণা' কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সমাজের কার্যক্রম 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' নামে পরিচিত ।
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে আরো যুক্ত ছিলেন:
- কাজী মোতাহার হোসেন,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- আবদুল কাদির প্রমুখ ।
এই সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকা । যার প্রতিটি সংখ্যায় লেখা থাকত 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' ।
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত আন্নদামঙ্গল কাব্যের অমর এই উক্তি তথা প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী। যখন দেবী অন্নদা তার খেয়া নৌকায় নদী পার হয়ে বর চাইতে বলে ঈশ্বরী পাটনীকে, তখন ঈশ্বরী পাটনি এই প্রার্থনাটি করে।
বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। বঙ্গদেশে তার প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি।
এখানে রাধা - কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি রয়েছে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটি পাওয়া যায় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে।
চন্ডী শিবের স্ত্রী। তাঁর অপর নাম পার্বতী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি-মানিক দত্ত। চণ্ডীমঙ্গলের দুইটি উপাখ্যান আছে। প্রধান চরিত্রগুলো কালকেতু, ফুল্লরা,ধনপতি,ভাডুদত্ত,মুরারি শীল। চণ্ডীমঙ্গল-চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনী। এ কাহিনীতে চণ্ডী শিবের স্ত্রী।
জব সলুশন