‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
এখানে রাধা - কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি রয়েছে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটি পাওয়া যায় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে।
Related Questions
চন্ডী শিবের স্ত্রী। তাঁর অপর নাম পার্বতী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি-মানিক দত্ত। চণ্ডীমঙ্গলের দুইটি উপাখ্যান আছে। প্রধান চরিত্রগুলো কালকেতু, ফুল্লরা,ধনপতি,ভাডুদত্ত,মুরারি শীল। চণ্ডীমঙ্গল-চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনী। এ কাহিনীতে চণ্ডী শিবের স্ত্রী।
• মৃণ্ময় (বিশেষণ) এর অর্থ - মাটির তৈরি। এটি একটি তৎসম শব্দ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যা কষ্টে লাভ করা যায় → দুর্লভ
যা লাভ করা যায় না → অলভ্য
যা জয় করা কষ্টকর → দুর্জয়
গাছে উঠতে পটু যে → গেছো
গম্ভীর ধ্বনি → মন্দ্র
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক → মুমুক্ষু
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে → প্রত্যুদগমন
রাত্রির শেষভাগ →পররাত্র
যে ব্যক্তি পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করতে পারে → জাতিস্মর
যে বস্তি থেকে উৎখাত হয়েছে → উদ্বাস্তু
অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থ প্রাধন্য থাকে, কবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়েরই অর্থযেযাগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: যথাবিধি = বিধিকে অতিক্রম না করে। যথারীতি = রীতিকে অতিক্রম না করে।
- এটি একটি অপ্রচলিত প্রশ্ন ।
- একটি উপমেয়কে অস্বীকার করে, সেখানে অন্য একটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তাহলে অপহ্নতি অলংকার হয়।
- এখানে জল কে অস্বীকার করে অশ্রুধারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
অগ্নি'র সমার্থক শব্দগুলো: অনল, বহ্নি, হুতাশন,পাবক, বৈশ্বানর, আগুন, দহন, সর্বভুক , শিখা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
আবীর /বিশেষ্য পদ/ ফাগ, একপ্রকার রক্তবর্ণ চূর্ণ বিশেষ যাহা হোলি বা বসন্তোৎসবে পরস্পরকে রঞ্জিত করিবার জন্য ব্যবহার করা হয়।
শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান বিনিময় বা অদলবদল করে উচ্চারিত হলে তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। অর্থাৎ উচ্চারণের সময় মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন করাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হলো: চাকরি ˃ চারকি, লাফ ˃ ফাল, বাক্স ˃ বাস্ক, রিক্সা ˃ রিস্কা, পিশাচ ˃ পিচাশ, নকশা ˃ নশকা ইত্যাদি।
জব সলুশন