‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থ প্রাধন্য থাকে, কবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়েরই অর্থযেযাগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: যথাবিধি = বিধিকে অতিক্রম না করে। যথারীতি = রীতিকে অতিক্রম না করে।
Related Questions
- এটি একটি অপ্রচলিত প্রশ্ন ।
- একটি উপমেয়কে অস্বীকার করে, সেখানে অন্য একটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তাহলে অপহ্নতি অলংকার হয়।
- এখানে জল কে অস্বীকার করে অশ্রুধারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
অগ্নি'র সমার্থক শব্দগুলো: অনল, বহ্নি, হুতাশন,পাবক, বৈশ্বানর, আগুন, দহন, সর্বভুক , শিখা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
আবীর /বিশেষ্য পদ/ ফাগ, একপ্রকার রক্তবর্ণ চূর্ণ বিশেষ যাহা হোলি বা বসন্তোৎসবে পরস্পরকে রঞ্জিত করিবার জন্য ব্যবহার করা হয়।
শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান বিনিময় বা অদলবদল করে উচ্চারিত হলে তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। অর্থাৎ উচ্চারণের সময় মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন করাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হলো: চাকরি ˃ চারকি, লাফ ˃ ফাল, বাক্স ˃ বাস্ক, রিক্সা ˃ রিস্কা, পিশাচ ˃ পিচাশ, নকশা ˃ নশকা ইত্যাদি।
"ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী" একটি যৌগিক বাক্য。যেহেতু এটি দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যকে 'তবে' (অব্যয়) দিয়ে যুক্ত করেছে, তাই এটি যৌগিক বাক্য হিসেবে গণ্য হয়
বাকী বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ ঃ
অশুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
শুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই।
অশুদ্ধ বাক্য: আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
অশুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম ।
শুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম ।
যেসব সন্ধিসমূহ স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধি বা বিসর্গসন্ধির নিয়মগুলো মেনে চলে না, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। তৎসম শব্দের সন্ধিতেই শুধু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হয়।
উদাহরণঃ
- কুল+অটা= কুলটা,
- গো+অক্ষ= গবাক্ষ,
- প্র+ঊঢ়= প্রৌঢ়,
- অন্য+অন্য= অন্যান্য,
- মার্ত+অণ্ড= মার্তণ্ড,
- শুদ্ধ+ওদন= শুদ্ধোদন ইত্যাদি।
জব সলুশন