‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
ছোট গল্প রবিবারের মূল চরিত্র অভীক ও বিভা । এর মূল উপজীব্য ধর্মদর্শন।
নষ্টনীড় - চারু, অমল ও ভূপতি
নামঞ্জুর - অমিয়া, অনিল
ল্যাবরেটরি - নন্দকিশোর, সোহিনী
Related Questions
- এটি দ্বাদশ শতাব্দীর বঙ্গদেশের রাজনৈতিক পটভূমিকায় রচিত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস।
- প্রধান চরিত্র হেমচন্দ্র, মৃণালিনী, মনোরমা প্রভৃতি।
- বঙ্কিমচন্দ্রের ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের চরিত্রসমূহ:
- দুর্গেশনন্দিনী - চরিত্র- আয়েশা, তিলোত্তমা,
- কপালকুণ্ডলা - চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার
- বিষবৃক্ষ - চরিত্র- কুন্দনন্দিনী,নগেন্দ্রনাথ
- কৃষ্ণকান্তের উইল - চরিত্র রোহিনী, ভ্রমর, গোবিন্দলাল
তাঁর রচিত উপন্যাস-
-দুর্গেশনন্দিনী
-কপালকুণ্ডলা
-মৃণালিনী
-বিষবৃক্ষ
-ইন্দিরা
-যুগলাঙ্গুরীয়
-চন্দ্রশেখর
-রাধারানী
-রজনী কৃষ্ণকান্তের উইল ইত্যাদি
আহমদ শরীফ (১৯২১-১৯৯৯): শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, লেখক এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক।
আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ-
• বিশ শতকের বাঙালি,
• বিচিত্র চিন্তা,
• কালের দর্পণের স্বদেশ,
• স্বদেশ চিন্তা,
• জিজ্ঞাসা ও অন্বে
• স্বদেশ চিন্তা,
• সাহিত্য ও সংস্কৃতি চিন্তা,
• স্বদেশ অন্বেষা
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ ও তাদের লেখকঃ
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ডে পক্রাশিত) : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- বঙ্গভাষা ও সাহিত্য (ইতিহাস বিষয়ক প্রথম গ্রন্থ ) : ড. দীনেশচন্দ্র সেন
- বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (৫ খণ্ডে প্রকাশিত) : ড. সুকুমার সেন
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত : মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান
- বাংলা সাহিত্যের রুপরেখা : গোপাল হায়দার
- বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত : ড. গোপাল হায়দার
- বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য : ড. আহমদ শরীফ
- লাল নীল দীপাবলি : হুমায়ুন আজাদ
কবিতার কথা বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙ্গালী কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে।
- শেষের কবিতা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত।
- দিবারাত্রির কাব্য : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। প্রধান চরিত্র- হেরম্ব ও আনন্দ প্রমুখ।
- পল্লী-সমাজ : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
বিষের বাঁশী কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিদ্রোহ, বিপ্লব, রহস্যবাদ, দেশাত্মবোধ, মানবতাবাদ, প্রকৃতি প্রেম, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য, উদারনৈতিক মানবতাবোধ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচারের কবিতা রয়েছে।
- সিন্ধু-হিন্দোল কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি প্রেম, দেশাত্মবোধ, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- চক্রবাক কাব্যগ্রন্থে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি প্রেম, দেশাত্মবোধ, আধ্যাত্মিকতা, দর্শন, ইত্যাদি বিষয়ের কবিতা রয়েছে।
- অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থে 'বিদ্রোহী', 'আগমনী', 'উমা', 'খোদার আসন', 'চল্ চল্ চল্' ইত্যাদি কবিতা ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য, উদারনৈতিক মানবতাবোধ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচারের বার্তা বহন করে।
সুতরাং, 'অগ্নি-বীণা' কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সমাজের কার্যক্রম 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' নামে পরিচিত ।
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে আরো যুক্ত ছিলেন:
- কাজী মোতাহার হোসেন,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- আবদুল কাদির প্রমুখ ।
এই সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকা । যার প্রতিটি সংখ্যায় লেখা থাকত 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' ।
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত আন্নদামঙ্গল কাব্যের অমর এই উক্তি তথা প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী। যখন দেবী অন্নদা তার খেয়া নৌকায় নদী পার হয়ে বর চাইতে বলে ঈশ্বরী পাটনীকে, তখন ঈশ্বরী পাটনি এই প্রার্থনাটি করে।
জব সলুশন