বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরনের স্যাটেলাইট হবে?
আর্থ অবজারভেশন বা ভূ-পর্যবেক্ষণকারী স্যাটেলাইট। এটি পৃথিবী থেকে কম উচ্চতায় (লো আর্থ অরবিট বা LEO) থেকে কাজ করবে। প্রথম স্যাটেলাইটটি যোগাযোগের কাজে ব্যবহার করা হলেও, দ্বিতীয়টি ছবি তোলা ও নজরদারির জন্য তৈরি।
Related Questions
মানুষের কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত আওয়াজ বা ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশ। বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাবিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো:সংজ্ঞা: মুখ দিয়ে উচ্চারিত ভাষার ক্ষুদ্রতম বা মৌলিক এককই হলো ধ্বনি। ধ্বনি মূলত দুই প্রকার—স্বরধ্বনি (যেমন: অ, আ) এবং ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন: ক, খ)। বর্ণ: ধ্বনি হলো শোনার বিষয়। যখন এই ধ্বনিগুলোকে কোনো সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে লিখে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বর্ণ বলে।
বিশ্বব্যাংক ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত ও স্বীকৃতি প্রদান করে।
সঠিক উত্তর জন্মভূমির আশ্রয়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলখ ‘জন্মভূমি’ কবিতার ‘অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে’ পঙক্তির ‘ছায়া’ বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের চূড়ান্ত জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪ শতাংশ। শুরুতে প্রাক-মূল্যায়ন বা সাময়িক হিসাবে এই হার ৫.৪৩ শতাংশ ধরা হলেও, পরবর্তীতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর চূড়ান্ত হিসেবে প্রবৃদ্ধির এই নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাতের অবদানই সবচেয়ে বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (FY25) জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ছিল প্রায় ৫১.২৪%।
- একই অর্থবছরে শিল্প খাতের অবদান ছিল প্রায় ৩৭.৬৫% এবং কৃষি খাতের অবদান ছিল প্রায় ১১.২%।
- ২০২৫ সালের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, সেবা খাতের অবদান ৫৫-৬০% পর্যন্ত হতে পারে।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৫০%। এ সময়ে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৬৭%, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৯৭% এবং কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ২.৩০%।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.০৩% হয়। এই প্রান্তিকে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৪৫%, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১.২৭% এবং কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৬৮%।
- এই তথ্যগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনকে নির্দেশ করে, যেখানে সেবা খাতের ভূমিকা ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং জিডিপিতে এর অবদান শীর্ষে রয়েছে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
বিভিন্ন আদমশুমারিতে বাংলাদেশর জনসংখ্যা:
- প্রথম আদমশুমারি ১৯৭৪ সালে : ৭.৬৪ কোটি
- দ্বিতীয় আদমশুমারি ১৯৮১ সালে : ৮.৭১ কোটি
- তৃতীয় আদমশুমারি ১৯৯১ সালে : ১০.৬৩ কোটি
- চতুর্থ আদমশুমারি ২০০১ সালে : ১২.৪৩ কোটি
- পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ সালে : ১৪.৯৭ কোটি
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালে : ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
জব সলুশন