বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পরিকল্পনার ( Perspective Plan) সময়সীমা কত?
বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্নপূরণ, ক্ষুধা- দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ জাতি গঠন এবং বাংলাদেশের আর্থ- সামাজিক অবস্থানকে দৃঢ় করে গড়ে তোলার জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনার নামই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প ২০৪১। এটি প্রণয়ন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল (এনইসি)। এ প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়কাল ২০২১-২০৪১। এ রূপকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের পর উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা।
Related Questions
রাশি রাশি ভারা ভারা ধান কাটা হলো সারা”- এখানে “রাশি রাশি”- সঠিক উত্তর নির্ধারক বিশেষণ
রাশি রাশি ভারা ভারা ধান কাটা হলো সারা - - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা সোনার তরী কবিতার অন্তর্ভুক্ত। এখানে রাশি রাশি - একটি নিদিষ্ট নির্ধারক বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার জন্য জর্জ হ্যারিসন ও পন্ডিত রবিশঙ্করের উদ্যোগে ১ আগস্ট , ১৯৭১ সালে 'Concert for Bangladesh ' এর আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, জর্জ হ্যারিসনের ব্যান্ড দলের নাম ছিল 'বিটলস ' (১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত)।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিটি চলতি বছরের (২০২৬ সাল) ১২ ডিসেম্বর শেষ বা মেয়াদোত্তীর্ণ হবে। এই সময়ের মধ্যে চুক্তিটি নবায়ন বা নতুন কোনো সমঝোতা না হলে এর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে।
'সভয়ে লোকটি বলল, বাঘ আসছে।'—এই বাক্যে 'সভয়ে' পদটি ক্রিয়া বিশেষণ (বা ক্রিয়ার বিশেষণ)-এর একটি চমৎকার উদাহরণ。 সভয়ে' (ভয়ের সাথে) শব্দটি দ্বারা ক্রিয়াপদটি (বলল) কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে, তার ধরন বা অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে। যেহেতু এটি ক্রিয়া সম্পাদনের ধরন নির্দেশ করে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ক্রিয়া বিশেষণ。
আর্থ অবজারভেশন বা ভূ-পর্যবেক্ষণকারী স্যাটেলাইট। এটি পৃথিবী থেকে কম উচ্চতায় (লো আর্থ অরবিট বা LEO) থেকে কাজ করবে। প্রথম স্যাটেলাইটটি যোগাযোগের কাজে ব্যবহার করা হলেও, দ্বিতীয়টি ছবি তোলা ও নজরদারির জন্য তৈরি।
মানুষের কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত আওয়াজ বা ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশ। বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাবিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো:সংজ্ঞা: মুখ দিয়ে উচ্চারিত ভাষার ক্ষুদ্রতম বা মৌলিক এককই হলো ধ্বনি। ধ্বনি মূলত দুই প্রকার—স্বরধ্বনি (যেমন: অ, আ) এবং ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন: ক, খ)। বর্ণ: ধ্বনি হলো শোনার বিষয়। যখন এই ধ্বনিগুলোকে কোনো সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে লিখে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বর্ণ বলে।
জব সলুশন