কোন বানানটি শুদ্ধ?
'আদ্যক্ষর' শব্দের সঠিক বানান হলো আদ্যক্ষর (আদি + অক্ষর)। তবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা একাডেমির অভিধান অনুসারে আদ্যাক্ষর (আদ + অক্ষর) বানানটিও ব্যাকরণসম্মত ও শুদ্ধ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তাই দুটো বানানের যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন।
Related Questions
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে (মূলত ১২ ডিসেম্বর) শেষ হতে যাচ্ছে।
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। প্রশ্নে উল্লেখিত উদ্ধৃতিটি ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর। এটি জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা সম্পর্কে তার বক্তব্যের অংশবিশেষ। 'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি'। এটি কোন আদর্শের কথা নয় বরং বাস্তব কথা। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ রেখে দিয়েছেন যে মালা - তিলক টিকিটে কিংবা টুপি - লুঙ্গি এবং দাড়িতে ঢাকবার জো - টি নেই। তার এ দুঃসাহসিক উক্তি বাঙালির জাতীয় চেতনা শাণিত করনের পাশাপাশি পূর্ববাংলার রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন পথ প্রশস্ত হয়।
বিগত কপ-২৬ (COP26) জলবায়ু সম্মেলন যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনটি ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর ২০২১ পর্যন্ত স্কটিশ ইভেন্ট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না’ - এখানে ‘মাথা খাও’ দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্নপূরণ, ক্ষুধা- দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ জাতি গঠন এবং বাংলাদেশের আর্থ- সামাজিক অবস্থানকে দৃঢ় করে গড়ে তোলার জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনার নামই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প ২০৪১। এটি প্রণয়ন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল (এনইসি)। এ প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়কাল ২০২১-২০৪১। এ রূপকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের পর উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা।
জব সলুশন