নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
• যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু তৎসম শব্দ- ক্ষুধা, সূর্য, পদ্ম, ক্ষমা, চর্মকার, বধূ, ভক্ত, মিথ্যা, লবণ, হস্ত, অন্ন, নিমন্ত্রণ, চন্দ্র, স্বামী, পুত্র, খাদ্য, অস্তি, অদ্য, অর্ধ, ইন্দ্রাগার, জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, বৈষ্ণব, কুৎসিত, চন্দ্র, ভবন, ধর্ম, মনুষ্য, পাত্র, নক্ষত্র, উপাধ্যায়, ঊষ্ণাপন, করোতি, কথয়তি, কার্য, গৃহ, চক্র, স্তম্ভ ইত্যাদি
- সন্ধ্যা [সম্+√ধৈ+অ(অঙ)+আ(টাপ)] তৎসম শব্দ।
- চন্দ্ৰ (তৎসম) > চন্দ (প্রাকৃত) > চাঁদ (তদ্ভব);
- কাষ্ঠ(তৎসম) > কন্ঠ (প্রাকৃত) > কাঠ (তদ্ভব);
- কুক্ষিধন (তৎসম) > খোকা (তদ্ভব)।
Related Questions
লিঙ্গ শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে চিহ্ন ।
- লিঙ্গের সংজ্ঞাঃ যে সকল শব্দ দ্বারা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের মধ্যে পুরুষ,স্ত্রী বা ভিন্ন জাতি বোঝায় তাকে লিঙ্গ বলে।
লিঙ্গান্তরের নিয়মঃ
-পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করে ।
-স্ত্রীবাচক শব্দ আগে বা পরে বসিয়েও লিঙ্গ পরিবর্তন করা হয়।
'ব্যাকরণ ' শব্দের সঠিক অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ।
ব্যাকরণ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় - বি + আ + কৃ + অন = ব্যাকরণ।
যে শাস্ত্রে কোনো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে ব্যাকরণ বলে।
-বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি।
তার মধ্যে,
-স্বরবর্ণ ১১ টি এবং
-ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
-কিন্তু আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে কিছু ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে উচ্চারণে পার্থক্য নেই। যেমন: ন, ণ; ড়, ঢ়;শ, ষ, স;জ, য।
-তাই আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণরূপে ব্যবহৃত বর্ণ ৪৫ টি।
মনে করি , ত্রিভুজটির উচ্চতা x মিটার।
ত্রিভুজটির ভূমি (2x+6) মিটার।
আমরা জানি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল=1/2 × ভূমি ×উচ্চতা
প্রশ্নমতে,
⇒ (1/2) × (2x + 6) × x = 810
⇒ x² + 3x = 810
⇒ x² + 3x - 810 = 0
⇒ x² + 30x - 27x - 810 = 0
⇒ x(x + 30) - 27(x + 30) = 0
⇒ (x + 30)(x - 27) = 0
এখন, হয়
x + 30 = 0
x = - 30 [ গ্রহণ যোগ্য নয়]
অথবা
x - 27 = 0
∴ x = 27
∴ ত্রিভুজের উচ্চতা 27 মিটার
জব সলুশন