Ad-hoc এর অর্থ কি?
Ad-hoc = তদর্থক, অনানুষ্ঠানিক।
পারিভাষিক শব্দ: autonomus-স্বায়ত্তস্বাসিত , sanction-অনুমোদন ।
Related Questions
Early rising is beneficial to health-সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
সাধুরীতি তে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অন্যদিকে সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। যেমন:
সাধুরীতি - চলিত রীতি
তাহাকে(সর্বনাম) - তাকে
পার হইয়া( ক্রিয়া) - পেরিয়ে
প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, কবি ও ছোটগল্পকার। তিনি হলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রথম বিদ্রুপাত্মক প্রবন্ধ রচনাকারী।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ-
-তেল-নুন-লকড়ী (১৯০৬)
-বীরবলের হালখাতা (১৯১৬)
-নানাকথা (১৯১৯)
-ভাষার কথা আমাদের শিক্ষা (১৯২০)
-রায়তের কথা (১৯১৯)
-নানাচর্চা (১৯৩২) প্
-রবন্ধ সংগ্রহ (১৯৫২ ১ম খণ্ড ও ১৯৫৩ ২য় খণ্ড) ইত্যাদি।
তার গল্পগ্রন্থ :
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ইত্যাদি।
দুই বা ততােধিক বাক্য যখন ও , এবং , আর , কিন্তু , তথাপি ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে , তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে ।
• যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু তৎসম শব্দ- ক্ষুধা, সূর্য, পদ্ম, ক্ষমা, চর্মকার, বধূ, ভক্ত, মিথ্যা, লবণ, হস্ত, অন্ন, নিমন্ত্রণ, চন্দ্র, স্বামী, পুত্র, খাদ্য, অস্তি, অদ্য, অর্ধ, ইন্দ্রাগার, জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, বৈষ্ণব, কুৎসিত, চন্দ্র, ভবন, ধর্ম, মনুষ্য, পাত্র, নক্ষত্র, উপাধ্যায়, ঊষ্ণাপন, করোতি, কথয়তি, কার্য, গৃহ, চক্র, স্তম্ভ ইত্যাদি
- সন্ধ্যা [সম্+√ধৈ+অ(অঙ)+আ(টাপ)] তৎসম শব্দ।
- চন্দ্ৰ (তৎসম) > চন্দ (প্রাকৃত) > চাঁদ (তদ্ভব);
- কাষ্ঠ(তৎসম) > কন্ঠ (প্রাকৃত) > কাঠ (তদ্ভব);
- কুক্ষিধন (তৎসম) > খোকা (তদ্ভব)।
জব সলুশন