‘মুক্তি' -এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
Related Questions
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। অর্থাৎ এ সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্যে ঠিক মাঝখানে থাকা পদটি সমস্তপদে গিয়ে লোপ পায়।
উদাহরণঃ
- ধর্ম রক্ষার্থে ঘট = ধর্মঘট,
- হাতে পরা হয় যে ঘড়ি = হাতঘড়ি,
- মুজিব স্মরণে যে বর্ষ = মুজিববর্ষ
- ঘরে আশ্রিত জামাই = ঘরজামাই
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমন:
- অন্য দেশ = দেশান্তর;
- ঈষৎ লাল = লালচে,
- অন্যকাল = কালান্তর ইত্যাদি।
'এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম।' প্রদত্ত বাক্যে আমরা যদি প্রশ্ন করি, কীসের জন্য সংগ্রাম? তাহলে উত্তর পাই, স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম বা স্বাধীনতার নিমিত্তে সংগ্রাম।
- এখানে 'স্বাধীনতা' এর সাথে ৬ষ্ঠী বিভক্তি 'র/এর যুক্ত হয়েছে।
- সুতরাং এটি নিমিত্তার্থে ৬ষ্ঠী।
- ক্রিয়াপদকে ধরে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে-এই প্রকার প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
- এখানে পড়াশোনায় মন দাও’ বাক্যে ‘কোথায় বা কোন বিষয়ে মন দাও?-এর উত্তরে পাওয়া যাবে- ‘পড়াশোনায়।'
- সুতরাং এটি অধিকরণ কারক।
- আবার এটির সাথে ‘য়’ থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।
তালব্য অল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি আসলে নাসিক্য ধ্বনিটিও তালব্য নাসিক্য ধ্বনি হয়।
অর্থাৎ, ‘চ/জ’ এর পরে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম (নাসিক্য ধ্বনি) থাকলে সেগুলো ‘ঞ’ হয়ে যায়।
চ+ন = চ+ঞ
যাচ+না = যাচ্ঞা
রাজ+নী = রাজ্ঞী
জ+ন = জ+ঞ
যজ+ন = যজ্ঞ
ই- কার বা ঈ - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে " য " বা য ( ্য) ফলা হয়। য -ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যাঞ্জনের সাথে লেখা হয়।
যেমন :
- মসী + আধার = মস্যাধার ,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি ,
- নদী + অম্বু = নদ্যম্বু,
- প্রতি + আবর্তন = প্রত্যাবর্তন
জব সলুশন