“বিদ্যাপতি” কোন রাজসভার কবি ছিলেন?

ক) রোসাঙ্গ
খ) কৃষ্ণনগর
গ) বিক্রমপুর
ঘ) মিথিলা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভায় কবি। রাজা শিবসিংহ তাকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেন। তার রচিত কয়েটি বইয়ের নাম - পুরুষ পরীক্ষা, কীর্তিলতা, গঙ্গাবাক্যাবলি, ভাবগত ইত্যাদি। কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে এ উপাধি প্রদান করেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - 'অন্নদামঙ্গল' আরাকান রাজসভার কবিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলো : দৌলিত কাজী, মরদন, কোরেশী মাগন ঠাকুর , আলাওল।

Related Questions

ক) নাটক
খ) কাব্য
গ) পদাবলী
ঘ) পালাগান
Note :

• আরাকান রাজসভার অমাত্য কোরেশী মাগন ঠাকুর রচিত কাব্য 'চন্দ্রাবতী' । 
• কবি এ দেশে প্রচলিত রূপকথার কাহিনিকে তার কাব্যের উপজীব্য করেছিলেন এবং যেভাবে তিনি রূপায়িত করেছেন তাতে তার মৌলিক প্রতিভার পরিচয় ফুটে উঠেছে ।
• ভদ্রাবতী নগরের রাজপুত্র বীরভান মন্ত্রীপুত্র সুতের সহায়তায় কীভাবে সরন্দ্বীপ রাজকন্যা অপূর্বসুন্দরী চন্দ্রাবতীকে লাভ করেছিলেন  তা-ই এ কাব্যে বর্ণিত হয়েছে ।

ক) ফরিদপুর
খ) সিলেট
গ) কৃষ্ণনগর
ঘ) চট্টগ্রাম
Note :

দৌলত উজির বাহরাম খান (আনু. ১৬শ শতক)  মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি। তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন। পীরভক্ত বাহরাম খানের প্রকৃত নাম আসাউদ্দীন। তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।

বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজন ও ইমাম-বিজয়। উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।  লায়লী-মজনু মূলত আধ্যাত্মিক কাব্য, কিন্তু বাংলা অনুবাদে তা পরিণত হয়েছে মানবিক প্রেমকাব্যে। বাহরাম খানই প্রথম লায়লী-মজনুর মতো বিশ্বখ্যাত বিরহমূলক প্রেমকাহিনী নিয়ে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন। 

একই কাহিনী অবলম্বনে মুহম্মদ খাতের ১৮৬৪ সালে দোভাষী পুথি এবং শেখ ফজলুল করিম ১৯০৩ সালে আখ্যানকাব্য রচনা করেন।

ক) চর্যাপদ
খ) পদাবলি
গ) মঙ্গলকাব্য
ঘ) রোমান্সকাব্য
Note :

চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন যার অর্থ আলো আঁধারি ভাষা , যা কিছু বুঝা যায় কিছু বোঝা যায় না।

ক) পদাবলি
খ) ধামালি
গ) প্রেমগীতি
ঘ) নাট্যগীতি
Note :

 গঠননৈপুণ্যের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অধিকাংশ পদই কৃষ্ণ-রাধা-বড়ায়ির সংলাপ ।
• কোনো কোনো পদ দুজনের উক্তি-প্রত্যুক্তি এবং রাধা বা কৃষ্ণের একান্ত মনোভাব প্রকাশ করে । যেহেতু কথোপকথনে মনোভাবের ঘাত-প্রতিঘাত প্রকাশ পেয়েছে তাই এগুলোকে গানে রচিত নাটকীয় সংলাপও বলা যায় ।
•  রসগত দিক থেকে সমগ্র কাব্যজুড়ে ধামালি প্রধান হয়ে উঠেছে ।
• ধামালি কথাটির অর্থ রঙ্গরস, পরিহাস কাব্য কৌতুক ।
• রঙ্গ তামাসার কালে কপট দম্ভ প্রকাশ করে যে সব উক্তি করা হয়, প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে তাকে ধামালি বলে ।
•  বড়ু চণ্ডীদাস তার বিবরণে লিখেছেন- 'রঙ্গে ধামালি বোলে দেব বনমালী' ।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন অঙ্গিক বা গঠনগত দিকে দেব বনমালী' ।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আঙ্গিক বা গঠনগত দিক থেকে নাটগীতি, প্রকরণে পদাবলি, শোণিত প্রেমগীতি ও রস সঞ্চালনায় ভূমিকা পালন করেছে ধামালি ।

ক) আকাঙ্ক্ষা
খ) যোগ্যতা
গ) আসক্তি
ঘ) আসত্তি
Note :

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা : ১. আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত একটি পদের পর অন্যপদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্গল পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি। ৩. যোগ্যতা : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

ক) চামার
খ) ধারালো
গ) মোড়ক
ঘ) পোষ্টাই
Note :

বাংলা 'অনা' প্রত্যয় যোগে √খেল্‌+অনা = খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
এরূপে গঠিত আরেকটি শব্দ হলোঃ
√দুল+অনা = দুলনা > দোলনা।

কিন্তু √কৃ+নক = কারক;
√লিখ্‌+ত = লিখিত;
√বিদ্+অন+আ = বেদনা সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন