কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিল।
- বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ঋতুনাট্য।
- ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ১০ ফাল্গুন নাটকটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি পালাগান এবং নাটকের আঙ্গিকে রচিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম পালাগান।
- এটি কবির প্রথম ঋতুনাট্যও বটে। নাটকের বিষয়বস্তু বসন্তের আগমন ও বিদায়।
- নাটকে ব্যবহৃত গানগুলি গীতবিতান গীতিসংকলনের প্রকৃতি পর্যায়ের বসন্ত উপপর্যায়ের অন্তর্গত।
- রবীন্দ্রনাথ নাটকটি উৎসর্গ করেন কাজী নজরুল ইসলামের উদ্দেশ্যে।
- পরে এই নাটকটি ঋতু - উৎসব (১৯২৬) সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়।
Related Questions
"কাক নিদ্রা" একটি বাগধারা। প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - অগভীর সতর্ক নিদ্রা। যেমন : তার চোখে তো ঘুম নেই, তার তো কাক নিদ্রা।
কথা সাহিত্যক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
গ্রন্থাগারে প্রকাশিত তার প্রথম গ্রন্থ জননী।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - ক্রীতদাসদের হাসি, চৌরসন্ধি, জাহান্নাম হয়তে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য।
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদের ভাষায় ৫টি ভাষার মিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়ঃ বাংলা, হিন্দি, মৈথিলী, অসমীয়া ও উড়িয়া।
- চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার অদ্যাবধি আবিষ্কৃত আদিতম রূপ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তার বইয়ে চর্যাপদের ভাষাকে বঙ্গকামরূপী নামে আখ্যা দেন।
- সাধারণত, চর্যাপদ এর ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আধাঁরী ভাষা। চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
প্রশ্নে চাঁদমুখ বা চন্দ্রমুখ যাই বলুক না কেনো তা উপমিত কর্মধারয় সমাস উত্তর দিতে হবে এবং ব্যাসবাক্য হবে মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ। এখানে অপশনের ব্যাসবাক্যে যেহেতু মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ নাই তাই চাঁদ রূপ মুখ দিতে হবে, এক্ষেত্রে এটা রূপক কর্মধারয় হয়ে যাবে। এটা জগদীশ ঘোষ স্যারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ মতে।
মীর মশাররফের জন্মস্থান - কুষ্টিয়া জেলা।
সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখাপড়ার জীবন কাটে প্রথমে কুষ্টিয়ায়, পরে ফরিদপুরের পদমদীতে ও শেষে কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। তার জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করে। তিনি কিছুকাল কলকাতায় বসবাস করেন।
'নন্দিনী' শব্দের সমার্থক শব্দ: মেয়ে, কন্যা, দুহিতা, পুত্রী, তনয়া, ঝি, তনুজা, আত্মজা, দারিকা, মাইয়া ইত্যাদি।
জব সলুশন