মৃন্ময়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোট গল্পের নায়িকা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পের নায়িকা ‘মৃন্ময়ী’ এবং নায়ক ‘অপূর্বকৃষ্ণ’।
- অন্যদিকে তার ‘দেনাপাওনা’ ছোটগল্পের নায়িকা ‘নিরু’,
- ‘পোস্টমাস্টার’ গল্পের বালিকা চরিত্র ‘রতন’
Related Questions
হর্ষ শব্দের অর্থ আনন্দ, প্রসন্নতা, প্রফুল্লতা। হর্ষ এর বিপরীত শব্দ বিষাদ যার অর্থ দুঃখ, স্ফূর্তিহীনতা।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক 'বহিপীর' (১৯৬০)।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বহিপীর ধর্মকে কিভাবে নিজের সুবিধার্থে কাজে লাগিয়ে শাসক ও শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা নাটকটিতে ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে,
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮);
- জসীমউদ্দীন রচিত কাব্য 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৪);
- কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' (১৯০৪)।
অক্ষর হচ্ছে বাগ্যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। ইংরেজিতে আমরা যাকে সিলেবল বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। যেমন—‘বন্ধন’ শব্দটিতে বন্ + ধন—এ দুটি অক্ষর আছে। সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়।
বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ভাষাতাত্ত্বিকরা অক্ষরকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। যেমনঃ
♦ ‘নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে একই বক্ষস্পন্দনের ফলে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয়, তাকেই সিলেবল বা অক্ষর বলা যেতে পারে। ’ —মুহম্মদ আব্দুল হাই
♦ ‘কোনো শব্দে যখন যে ধ্বনিসমষ্টি একসময়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বলে। ’ —ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
♦ ‘এক প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি সমষ্টির নাম অক্ষর (সিলেবল)। ’
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে' গানটি তাঁর 'রাজা' নাটক থেকে গৃহীত হয়েছে।
- এ গানটির মূলভাব হলো স্বাধীনতা, শক্তি, ঐক্য, দায়িত্ববোধ ও অধিকার চেতনা।
সারাংশ প্রথম পুরুষে লিখতে হয়য়। সারাংশ এর ভাষা সহজ ও সাবলীল হওয়া দরকার। বাক্যের বক্তা যে বিশেষ্য বা সর্বনামের দ্বারা বক্তা ও শ্রোতার বাইরে অন্য কাওরে নির্দেশ করে, তাকে প্রথম পুরুষ বলে। প্রথম পুরুষ ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সহজ ও সাবলীল হয়। এই জন্য প্রথম পুরুষ ব্যবহার করা হয়।
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণটিতে একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া 'লাগছে' বিদ্যমান।
- সুতরাং, এটি সরল বাক্য।
অন্যদিকে,
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণে 'জ্বর জ্বর' দ্বিরুক্তি দ্বারা ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।
জব সলুশন