‘দুর্নীতি জাতির সকল উন্নতির অন্তরায়’- মূলত কোন বিষয়ে আলোচিত হয় ?
’দুর্নীতি জাতির সকল উন্নতির অন্তরায়’- 'ভাব-সম্প্রসারণ' এ আলোচিত হয়।
ভাব-সম্প্রসারণ
• ভাব-সম্প্রসারণে ভাবের সম্প্রসারণ ঘটে।
• কোনো কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে।
Related Questions
'অন্ধের যষ্টি' এবং 'অক্কা পাওয়া' শব্দ দুটি ভিন্নার্থক। এদের অর্থ নিচে দেওয়া হলো: অন্ধের যষ্টি: এর অর্থ হলো একমাত্র সম্বল বা নির্ভর করার মতো একমাত্র উপায়। অক্কা পাওয়া: এর অর্থ হলো মারা যাওয়া।
অনুতাপ একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ
এর ব্যাসবাক্য হলো: তাপের পশ্চাৎ。এখানে 'অনু' উপসর্গটি 'পশ্চাৎ' বা অনুগামী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে
অনিষ্ট করতে গিয়ে ভাল করা কে বলে - শাপে বর ।
উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-
* সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
* সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
* এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
* সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
* সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
* সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।
ভবন একটি তৎসম শব্দ
তৎসম অর্থ "তার সমান"। যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত বা অবিকৃত আকারে বাংলা ভাষায় সরাসরি গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। যেহেতু "ভবন" শব্দটির মূল সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা রূপ হুবহু এক ও অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম
গদ্য বা পদ্যের অংশবিশেষের অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ - সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করাকে বলে - সারাংশ ।
জব সলুশন