নিচের কোন কর্মসুচিকে ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গণ্য করা হয়?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির জন্য ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ার লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' কর্মসূচি পেশ করেন।
- এ কর্মসূচিকে বাংলার জনগণ ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গ্রহণ করে।
- স্বয়ং বঙ্গবন্ধু এ ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের 'বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
Related Questions
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন রাজা পঞ্চম জর্জ। ১৯১১ সালে রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতে লর্ড কার্জন সমগ্র বাংলাকে দুটি প্রদেশে ভাগ করে। একটিতে থাকে পূর্ব বাংলা ও আসাম এবং অন্যটিতে থাকে পশ্চিম বাংলা। বাংলার এ বিভক্তি বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
-প্রতি ১০ বছর পর পর দেশের জনসংখ্যার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য যে সার্ভে করা হয় তাকে আদমশুমারি বলে। -ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয়- ১৮৭২ সালে। -বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে। -বাংলাদেশে আদমশুমারি বাস্তবায়ন করে পরিসংখ্যান ব্যুরো। -বাংলাদেশের সর্বশেষ আদমশুমারি হয়- ১৫-১৯ মার্চ ২০২২
ওয়ানগালা হচ্ছে গারো সম্প্রদায়ের একটি নবান্ন উৎসব।
- সোহরাই: হলো সাঁওতালদের প্রধান উসব।
- সাংসারেক: গারোদের আদি ধর্মের নাম।
- বৈসুক: ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসবের নাম.
- বৈসাবি: হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলা ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবিকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরে।
- তারামন বিবির যুদ্ধ করেন ১১ নং সেক্টরে।
- উল্লেখ্য, মোট ৪২৬ জন ব্যক্তিকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় । যা এক সময় মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল । তখন এর নাম ছিল পুন্ড্রনগর। এর অবস্থান বগুড়া শহর থেকে 10 কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে। এখানে মৌর্য যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশের পাবনার রূপপুর নির্মীয়মান ২৪০০ মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ হলো রাশিয়া।
জব সলুশন