জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে?
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে , ১৯৪৬ - ১৯৫৩) । বর্তমান (নবম) মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস (পর্তুগাল) ; দায়িত্ব গ্রহণ ১ জানুয়ারি ২০১৭।
Related Questions
IMF এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি ।
১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১ মার্চ ১৯৪৭ কার্যক্রম শুরু করা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF - এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত । সংস্থাটি স্বল্প আয়ের দেশে সুবিধাজনক ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে ।
ইরানে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতার লড়াইয়ে অবদান রাখায় তাকে চলতি বছর শান্তিতে নোবেল দেওয়া হলো। শান্তিতে ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী।
থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ।
ভারত, সিচেলিস, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসের মুদ্রার নাম রুপি ।
ইরান, ওমান, কম্বোডিয়া, কাতার, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও ব্রাজিলের মুদ্রার নাম রিয়াল ।
ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, লাইবেরিয়া, নামিবিয়া জিম্বাবুয়ে, নিউজিল্যান্ড, বাহামাস, বার্বাডোস, বেলিজ, কানাডা, জামাইকা, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, সুরিনাম ও গায়ানার মুদ্রার নাম ডলার।
(SDGs) হল টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা যা Millennium Development Goals এর স্থলে প্রতিস্থাপন করা হয় .২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০ তম অধিবেশনে Transforming our world: The 2030 Agenda for Sustainable Development শিরোনামের একটি কর্মসূচী গৃহীত হয়,যা SDGs নামে পরিচিত ।
- SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ।
- এতে মোট ১৭ টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯ টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্ত্রভুক্ত রয়েছে .
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট, আর ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হলো লোকসভা।
হিজবুল্লাহ লেবাননের একটি শিয়া ইসলামী রাজনৈতিক এবং সামরিক সংগঠন। এটি ১৯৮২ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবাননের দক্ষিণ অংশে প্রতিরোধ যুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সংগঠনটির প্রধান লক্ষ্য হল লেবাননকে ইসরায়েলি অধিকার থেকে মুক্ত করা এবং একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
হিজবুল্লাহ লেবাননের সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠন গুলোর মধ্যে একটি। এর কাছে একটি বড় সৈন্য বাহিনী এবং অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। সংগঠনটি লেবাননের রাজনীতিতে ও সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হিজবুল্লাহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কিছু আরব দেশের দ্বারা একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, সংগঠনটি এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং বলে যে তারা শুধুমাত্র বৈধ প্রতিরোধ যুদ্ধ চালাচ্ছে
জব সলুশন