অনাথ'-এর স্ত্রীলিঙ্গ কী?

ক) অনাথীনি
খ) অনাথিনী
গ) অনাথি
ঘ) নাথবতী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অনাথ এর স্ত্রীলিঙ্গ: অনাথা, অনাথিনী।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্গান্তর:
মদ্দা ঘোড়া - মাদি ঘোড়া।
শুক - শারি।
দুলহা - দুলাইন।
ঠাকুর - ঠাকুরন/ ঠাকরুন/ ঠাকুরানী।
হুজুর - হুজুরাইন।
মানুষ - মানুষী।
গো - গবী।
বিধাতা - বিধাত্রী।

Related Questions

ক) অশ্রুজলে চোখ ভেসে গেলো।
খ) সৎ চরিত্রের লোক সকলের প্রিয়।
গ) অঙ্ক কষিতে ভূল করিওনা।
ঘ) আমি ঘটনাটি চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি।
ক) ভরাডুবি
খ) রাবনের চিতা
গ) জগদ্দল পাথর
ঘ) শাপেবর
Note :

- ‘ভরাডুবি’ বাগধারাটির অর্থঃ সর্বনাশ। 

অন্যদিকে, 
- ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি অর্থ - চির অশান্তি।
- 'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ- 'গুরুভার'। 
- 'শাপে বর' বাগধারাটির অর্থ- অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।

ক) লাফ দেওয়ার আগে তাকাও।
খ) ভাবিয়া করিও কাজ।
গ) দেখে তারপর লাফ দাও।
ঘ) আকাশকুসুম ভাবিও না।
Note :

⇒ ‘Look before you leap’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ (Proverb)। প্রবাদের অনুবাদ সাধারণত আক্ষরিক হয় না, বরং ভাবানুবাদ বা সমার্থক প্রবাদ ব্যবহার করতে হয়।
⇒ এর আক্ষরিক অর্থ "লাফ দেওয়ার আগে তাকাও", কিন্তু এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা।
⇒ বাংলা ভাষায় এই ভাবটি প্রকাশ করার জন্য যে প্রবাদটি ব্যবহৃত হয় তা হলো— "ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না"।

ক) দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে।
খ) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
গ) বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে।
ঘ) উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে।
Note :

দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে হাইফেন বসে।

সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেনের ব্যবহার করা হয়। দুই শব্দের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। তবে হাইফেন থাকলে থামার প্রয়োজন হয় না। যেমন:
» এ আমাদের শ্রদ্ধা- অভিনন্দন,
» আমাদের প্রীতি-উপহার।
» মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড়ো গৌরব।

ক) অযথা তর্ক করা
খ) অযথা রাগারাগি করা
গ) অযথা তোষামোদ
ঘ) অযথা আলসেমি করা
Note :

‘আমড়াগাছি করা’ বাগ্‌ধারার অর্থ: অযথা তোষামোদ/অযথা প্রশংসা করা

আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- আদা জল খেয়ে লাগা: প্রাণপণ চেষ্টা করা।
- অন্তর টিপুনি: গোপন ইশারা।
- আমি-আমি করা: আত্মপ্রশংসা করা।
- মাথা খাওয়া: শপথ করা।
- মাথা ঘামানো: ভাবনা করা ৷ 

ক) গুরুদোষ
খ) লঘুদোষ
গ) মিশ্রদোষ
ঘ) গুরুচণ্ডালী
Note :

- সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
- যেমন:
অশুদ্ধ: অতঃপর তারা চলে গেল।
শুদ্ধ: তারপর তারা চলে গেল।

জব সলুশন

বাংলাদেশ রেলওয়ে — সহকারী স্টেশন মাস্টার 2026-05-16

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-বেঞ্চ সহকারী 2026-05-16

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় — শ্রম পরিদর্শক (সেফটি) 2026-05-11

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন