ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো–

ক) অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
খ) ঔষধ শিল্পের দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
গ) ঔষধ শিল্পের দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
ঘ) বিদেশি শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার বাধ্য করা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা। এর পাশাপাশি নিরাপদ, কার্যকরী ও মানসম্মত ঔষধ সবার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করাও এই নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। 

জাতীয় ঔষধ নীতির মূল বিষয়গুলো হলো:

স্বাস্থ্য সুরক্ষা: চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যেনতেন ঔষধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানো।

সঠিক ব্যবহার: অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারসহ অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক ঔষধ উৎপাদন ও বিপণন পুরোপুরি বন্ধ করা।

মান নিয়ন্ত্রণ: আধুনিক পরীক্ষাগারের মাধ্যমে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত প্রতিটি ঔষধের গুণগত মান যাচাই ও নিশ্চিত করা।

Related Questions

ক) করতোয়া
খ) গঙ্গা
গ) ব্রহ্মপুত্র
ঘ) মহানন্দা
Note :

মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ এবং এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। করতোয়া নদী বগুড়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যার পাশেই এই ঐতিহাসিক স্থানটি গড়ে উঠেছে।

ক) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
গ) ২২৫ নটিক্যাল মাইল
ঘ) ১০ নটিক্যাল মাইল
Note :

বাংলাদেশের মোট সীমানা ৫১৩৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে জলসীমা ৭১১ কিলোমিটার।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।

মহীসোপান ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

ক) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
খ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
গ) ২ কোটি একর
ঘ) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
Note :

বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১লা মে-তে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- এই তথ্য কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২২ এবং ভূমি ব্যবহার জরিপ (২০১৯-২০২০) থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- ২০২৪ সালের ১৩ই জুন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জাতীয় সংসদে জানান যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
- ২০২৩ সালের ১৮ই জুন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সংসদকে জানান যে, দেশের আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ২৬৬ হেক্টর
- পূর্বে একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসের তথ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭৯.৪৬ লক্ষ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছিল।
- তবে, একাধিক সরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত।

ক) রংপুর
খ) ময়মনসিংহ
গ) টাংগাইল
ঘ) ফরিদপুর
Note :

ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পাট উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানকার মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, ফলে এই জেলায় পাটের উৎপাদন অন্যান্য জেলার তুলনায় বেশি হয়।

ক) মোস্তফা মনোয়ার
খ) শামীম সিকদার
গ) হামিদুজ্জামান খান
ঘ) মঈনুল হোসেন
Note :

‘মিশুক’ ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের মাসকট। মিশুকের স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।

কিছু গুরুত্তপুর্ণ স্থপতিঃ

- জাতীয় স্মৃতি সৌধ (সাভার) : মইনুল হোসেন
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ (মেহেরপুর) : তানভীর কবির
- জাগ্রত চৌরঙ্গী(জয়দেবপুর) : আব্দুর রাজ্জাক
- অপরাজেয় বাংলা(ঢাবি) : আব্দুল্লাহ খালেদ
- স্বৌপার্জিত স্বাধীনতা(ঢাবি) : শামীম সিকদার
- মুক্ত বাংলা(ইবি) : রশিদ আহমদ
- সংশপ্তক (জাবি) : হামিদুজ্জামান
- সাবাস বাংলাদেশ(রাবি) : নিতুন কুন্ডু
- চেতনা ৭১(কুষ্টিয়া) : মো. মইনুল

ক) ১৯৪৭ সালে
খ) ১৯৮৬ সালে
গ) ১৯৮৫ সালে
ঘ) ১৯৮৪ সালে
Note :

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ১৯৮৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের হরিপুরে তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। সিলেট-৭ নম্বর কূপ খননের সময় অপ্রত্যাশিতভাবে এই তেলের সন্ধান পাওয়া যায়। ১৯৮৭ সাল থেকে এখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলন শুরু হয়, তবে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ১৯৯৪ সালে এর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন