কোন সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না?
অলুক সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না।
যে সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে।
যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে, ঘোড়ার ডিম, মাটির মানুষ, মামার বাড়ি, গায়ে পড়া, গায়ে হলুদ, হাতেখড়ি, মুখে - ভাত, কানে - কলম ইত্যাদি।
Related Questions
নিত্য সমাস-এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না,যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে ভিন্ন পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে,উদাহরণ: অন্য দেশ = দেশান্তর
অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর
কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
তুমি, আমি ও সে = আমরা
দুই এবং নব্বই = বিরানব্ব
সঠিক বানানটি হলো অদ্যাপি, অদ্যাপি শব্দের অর্থ - এখনও, আজও।
সঠিক উত্তরটি হলো: সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী।
ব্যাখ্যা:
১. বিভক্তি নির্ণয়: ‘তোমার’ শব্দটির গঠন হলো (তুমি + র)। শব্দের শেষে ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি থাকলে সেটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়।
২. কারক নির্ণয়: এখানে ‘তোমার পূজা’ বলতে তোমাকেই পূজা করার কথা বোঝানো হয়েছে। যাকে স্বত্বত্যাগ করে বা ভক্তিভরে কিছু দেওয়া হয় বা পূজা করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়।
যেহেতু ‘তোমার’ শব্দে ভক্তির পাত্র (সম্প্রদান) এবং ‘র’ (ষষ্ঠী) বিভক্তি রয়েছে, তাই এটি সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী।
কর্ম কারকে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে কর্মে ষষ্ঠী বলা হয়।
"তোমাকে" শব্দটি অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি। কারণ, ভয় বা ভীতি যে বস্তু থেকে উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয় এবং এখানে "তোমাকে" শব্দটি থেকে ভয় উৎপন্ন হচ্ছে।
'গৃহিনী' শব্দের শুদ্ধ বা প্রমিত বানান হলো গৃহিণী (গৃ + হ + ী + ণ + ঈ)
জব সলুশন