যোগরুঢ় শব্দ কোনটি?

ক) কলম
খ) মলম
গ) বাঁশি
ঘ) শাখামৃগ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

শাখামৃগ একটি যোগরূঢ় শব্দ। 'শাখা' (ডাল) এবং 'মৃগ' (হরিণ বা পশু) এই দুটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ দিয়ে এই শব্দটি গঠিত হলেও, এর প্রচলিত অর্থ হলো 'বানর'। অর্থাৎ, এখানে শব্দটির আক্ষরিক অর্থকে ছাপিয়ে একটি বিশেষ অর্থে (বানর) এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

Related Questions

ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৪টি
Note :

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। এগুলি হলো (যা 'অ' এবং 'ই' এর সমন্বয়ে গঠিত) এবং (যা 'অ' এবং 'উ' এর সমন্বয়ে গঠিত)। এই দুটি স্বরবর্ণ অন্য দুটি স্বরবর্ণের মিলনে তৈরি হওয়ায় এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।

ক) মুহম্মদ আবদুল হাই
খ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
গ) মুনীর চৌধুরী
ঘ) মুহম্মদ এনামুল হক
Note :

মুহম্মদ আবদুল হাই শিষ্ট কথ্য বাংলা ভাষার ধ্বনি এবং ধ্বনিতত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণে ব্রতী হন এবং তাঁর গবেষণালব্ধ ফল ‘ধ্বনি বিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ (১৯৬৫) নামক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
* মুহম্মদ আবদুল হাই-এর এই গ্রন্থটি অধ্যাবধি বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব পর্যালোচনার সর্বাধিক গভীর বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ।
* আবদুল হাই এ গ্রন্থে বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা, দ্বিস্বর এবং অর্ধস্বরের গঠন, ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোর ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিচয়, বাক্প্রবাহে ধ্বনির রূপ, সন্ধি ও সামগ্রিকীভবন, ধ্বনিগুণ এবং স্বরতরঙ্গ বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করেছেন।

বাংলা ভাষা সংক্রান্ত বই:
• বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
• ভাষার ইতিবৃত্ত - সুকুমার সেন
• বাংলা ভাষার সংস্কার, মুসলিম বাঙলা সাহিত্য, মনীষা মঞ্জুসা - মুহাম্মদ এনামুল হক
• সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ভাষা ও সাহিত্য, ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব - মুহাম্মদ আব্দুল হাই।

ক) তৎসম
খ) তদ্ভব
গ) দেশি
ঘ) বিদেশি
Note :


- ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী যাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্ম ছিল- আর্য বা ইন্দো-ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীর থেকে আলাদা, তাদের অনার্য বলা হয়।
- এই অনার্য বা বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: কোল, মুণ্ডা প্রভৃতি) ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে দেশি শব্দ বলে।
- যেমন: কুড়ি (বিশ) কোলভাষা, পেট (উদর)- তামিল ভাষা, কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা ইত্যাদি।

কিছু দেশি শব্দ: 
- খিস্তিখেউড়, ঢেঁকি, ঢোল, কাঁটা, খোঁপা, ডিঙি, কুলা, টোপর, খোকা,
- খুকি, বাখারি, কড়ি, ঝিঙা, কয়লা, কাকা, খবর, খাতা, কামড়, কলা,
- গয়লা, চঙ্গ, চাউল, ছাই, ঝাল, ঝোল, ঠাটা, ডাগর, ডাহা, ঢিল, পয়লা। 

ক) আ
খ) এ
গ) উ
ঘ) ও
Note :

উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী, বাংলা স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণ নিচের ছকে দেখানো হলো:

সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

ক) আবদুল গাফফার চৌধুরী
খ) আবুল ফজল
গ) মুনীর চৌধুরী
ঘ) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
Note :

মুক্তবুদ্ধির চির সজাগ প্রহরী' নামে খ্যাত সাহিত্যিক আবুল ফজল।
- 'একুশ মানে মাথা নত না করা' এই পঙক্তির মাধ্যমে বাঙালির প্রকৃত বিদ্রোহী মনোভাবই ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- শিখা পত্রিকার স্লোগান ছিলো। "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।
- 'শিখা' পত্রিকার এ স্লোগানই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তিনি প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি পারদর্শীতা দেখিয়েছেন।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগুলোর মধ্যে বিচিত্র কথা।
- বিদ্রোহী কবি নজরুল, মানবতন্ত্র রবীন্দ্র প্রসঙ্গ, একুশ মানে মাথা নত না করা, শেখ মুজিব: তাঁকে যেমন দেখিছি ইত্যাদি অন্যতম।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ-
- জীবনপথের যাত্রী
- রাঙ্গা প্রভাত(১৩৬৪)
- চৌচির(১৯৩৪)
- মাটির পৃথিবী(১৩৪৭)
- আয়েশা আবুল
- ফজলের শ্রেষ্ঠ গল্প
- সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন
- সমাজ সাহিত্য রাষ্ট্র ইত্যাদি।

উপন্যাস
- 'রাঙা প্রভাত' (১৩৬৪) ,
- 'প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৩৪৭),
- 'চৌচির' (১৯৩৪)।

ক) জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
খ) রিজিয়া রহমান
গ) শহীদুল জহির
ঘ) দিলারা হাশেম
Note :


- শহীদুল জহির বাংলা সাহিত্যে পরাবাস্তবতা ও জাদু বাস্তবতার প্রথম সফল আর্টিস্ট।
- শহীদুল জহির (১৯৫৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর) পুরান ঢাকার নারিন্দার ৩৬ ভূতের গলিতে (ভজ হরি সাহা স্ট্রিট) জন্মগ্রহণ করেন।
- তার প্রকৃত নাম মোহাম্মদ শহীদুল হক।
- তিনি অমর কিছু সাহিত্যকর্ম রেখে গেছেন।
- জয়েসের যেমন ছিল ডাবলিন, শহীদুল জহিরের ঠিক তেমনিই নারিন্দা ভুতের গলি।
- তার অন্যতম উপন্যাসগুলো হলো (জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা-১৯৮৮), (সে রাতে পূর্ণিমা ছিল-১৯৯৫), (মুখের দিকে দেখি-২০০৬) ইত্যাদি।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগুলো হল (ভালোবাসা -১৯৭৪), (পারাপার- ১৯৮৫), (আগারগাঁও কলোনিতে কেন নয়নতারা নেই- ১৯৯১), (ডোলু নদীর বাতাস- ২০০৩) ইত্যাদি।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ও বারমিংহাম ইউনিভার্সিটিতেও পড়ালেখা করেন।
- তিনি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সহকারী সচিব পদে যোগ দেন।
- ২০০৮ এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে কাজ করে গেছেন।
- তিনি ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হসপিটালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান, তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন