নীলকর' কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। বাক্য সংক্ষেপণ (এক কথায় প্রকাশ) ঘটে থাকলে এবং সমস্তপদের শেষে ক্রিয়া (কাজ)-বাচক পদ যুক্ত থাকলেই সেগুলো সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: জলে চরে যা = জলচর; বাজি করে যে=বাজিকর, জল দেয় যা= জলদ, পঙ্কে জন্মে যা= পঙ্কজ। এরূপ- হরবেলা, গৃহস্থ, ইন্দ্রজিৎ, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, বেতনভুগী, মধুপ, শ্মশানচারী, পা-চাটা, পাড়াবেড়ানি, ছা-পোষা ইত্যাদি।
শর্টকাট: অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে বোঝাবে ও বাক্য সংকোচন হয়।
Related Questions
পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং পরপদের শুরুতে 'চ/ছ' থাকলে পূর্বপদের বিসর্গ (ঃ) এর পরিবর্তে 'শ' হয়। যেমন-
বিসর্গ (ঃ) + চ = শ
দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র; নিঃ+ চয় নিশ্চয়: দুঃ + ছেদ্য = দুচ্ছেদ্য
বিসর্গ (ঃ) + ছ = শ
শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ
- ক্রিয়ামূল বা নাম প্রকৃতির পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় সাধারণত ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়।
যেমন:
• √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত,
• মনু + ষ্ণ = মানব,
• এক+ইক = ঐকিক ইত্যাদি।
- বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদেরকে বিভক্তি বলে।
- বাংলা শব্দ বিভক্তিগুলো হলো: শূন্য (০) বিভক্তি, এ, তে, কে, রে, র।
- সরোবরে শব্দটিতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটিই বিভক্তিযুক্ত শব্দ।
- উপসর্গ হলো সেই শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- দ্রোহী একটি শব্দ যার অর্থ অনিষ্টাচারী।
- এর পূর্বে 'বি' উপসর্গ বসে গঠিত হয়েছে বিদ্রোহী শব্দটি।
শাখামৃগ একটি যোগরূঢ় শব্দ। 'শাখা' (ডাল) এবং 'মৃগ' (হরিণ বা পশু) এই দুটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ দিয়ে এই শব্দটি গঠিত হলেও, এর প্রচলিত অর্থ হলো 'বানর'। অর্থাৎ, এখানে শব্দটির আক্ষরিক অর্থকে ছাপিয়ে একটি বিশেষ অর্থে (বানর) এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। এগুলি হলো ঐ (যা 'অ' এবং 'ই' এর সমন্বয়ে গঠিত) এবং ঔ (যা 'অ' এবং 'উ' এর সমন্বয়ে গঠিত)। এই দুটি স্বরবর্ণ অন্য দুটি স্বরবর্ণের মিলনে তৈরি হওয়ায় এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।
জব সলুশন