বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' কত সালে প্রণীত হয়?

ক) 1990
খ) 1992
গ) 1994
ঘ) 1996
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- বাংলা একাডেমী ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা বানানকে নিয়মিত, অভিন্ন ও প্রমিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি নিয়ম দাঁড় করায় যা 'বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' নামে ছাপিয়ে প্রকাশ করে।
- যার ‘পরিমার্জিত ও সংশোধিত’ সংস্করণ তাঁরা ১৯৯৪-এর জানুয়ারিতে প্রকাশ করেন।

Related Questions

ক) বন্ধুর
খ) অসম
গ) সুষম
ঘ) ঋজু
Note :

বঙ্কিম এর বিপরীত শব্দ ঋজু।
- ঋজু শব্দের অর্থ অবক্র, সোজা। 

• বন্ধুর - মসৃণ
• অসম - সুষম

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঃ
অনিষ্ট - ইষ্ট
মৌন - মুখরতা
মৌনী - মুখর
নয় - অবিনয়
খাতক - মহাজন
লায়েক - নালায়েক
আদিষ্ট - নিষিদ্ধ
রাজি - গররাজি। 
 

ক) সহশিক্ষা
খ) নারীশিক্ষা
গ) শিক্ষাতত্ত্ব
ঘ) শিক্ষানীতি
Note :

• Co-education- সহশিক্ষা।
• Woman education- নারীশিক্ষা।
• Pedagogy- শিক্ষাতত্ত্ব, শিখন বিজ্ঞান/শিক্ষানীতি।
• তবে প্রয়োগিক দিক থেকে Pedagogy শব্দটি শিক্ষাতত্ত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) নিত্য
ঘ) উপপদ তৎপুরুষ
Note :

যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। বাক্য সংক্ষেপণ (এক কথায় প্রকাশ) ঘটে থাকলে এবং সমস্তপদের শেষে ক্রিয়া (কাজ)-বাচক পদ যুক্ত থাকলেই সেগুলো সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: জলে চরে যা = জলচর; বাজি করে যে=বাজিকর,  জল দেয় যা= জলদ, পঙ্কে জন্মে যা= পঙ্কজ। এরূপ- হরবেলা, গৃহস্থ, ইন্দ্রজিৎ, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, বেতনভুগী, মধুপ, শ্মশানচারী, পা-চাটা, পাড়াবেড়ানি, ছা-পোষা ইত্যাদি।

 শর্টকাট: অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে বোঝাবে ও বাক্য সংকোচন হয়।

ক) শির + ছেদ
খ) শিরঃ + ছেদ
গ) শিরশ্ + ছেদ
ঘ) শির + উচ্ছেদ
Note :

পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং পরপদের শুরুতে 'চ/ছ' থাকলে পূর্বপদের বিসর্গ (ঃ) এর পরিবর্তে 'শ' হয়। যেমন- 

বিসর্গ (ঃ) + চ = শ

দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র; নিঃ+ চয় নিশ্চয়: দুঃ + ছেদ্য = দুচ্ছেদ্য

বিসর্গ (ঃ) + ছ = শ

শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ

ক) `ভাইবোন
খ) রাজপথ
গ) বকলম
ঘ) ঐকিক
Note :

- ক্রিয়ামূল বা নাম প্রকৃতির পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় সাধারণত ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়।

যেমন:
• √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত,
• মনু + ষ্ণ = মানব,
• এক+ইক = ঐকিক ইত্যাদি।

ক) সরোবরে
খ) চশমা
গ) সরোজ
ঘ) চম্পক
Note :

- বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদেরকে বিভক্তি বলে।
- বাংলা শব্দ বিভক্তিগুলো হলো: শূন্য (০) বিভক্তি, এ, তে, কে, রে, র।
- সরোবরে শব্দটিতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটিই বিভক্তিযুক্ত শব্দ।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন