জীববিজ্ঞানে কী ধরনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, সাজানো, বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারকে বায়োইনফরম্যাটিক্স বলে।
বায়োইনফরম্যাটিক্স এমন একটি কৌশল যেখানে ফলিত গণিত, তথ্যবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করা হয়। মূলত জীববিজ্ঞানের আণবিক পর্যায়ে গবেষণাই এখানে অন্তর্ভুক্ত হয়। অর্থ্যাৎ জীব সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রয়োগই হলো বায়োইনফরম্যাটিক্স
Related Questions
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম মূলত দুটি আইসোটোপ দিয়ে গঠিত: 238Uএবং 235U।
- 238Uআইসোটোপের পরিমাণ 99.3%, যেখানে 235U আইসোটোপের পরিমাণ মাত্র 0.7%।
- 238Uআইসোটোপ স্থিতিশীল, যার অর্থ এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভাজিত হয় না।
- 235U আইসোটোপ অস্থিতিশীল, যার অর্থ এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভাজিত হতে পারে এবং পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
উল্লেখ্য, যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
পর্দা বা ঝিল্লিবিহীন দানাদার যে অঙ্গানু সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় অবস্থান করে অথবা এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে অবস্থান করে প্রোটিন সংশ্লেষন ঘটায় তাকে রাইবোসোম বলে।
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন।
- মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, গলজি বস্তু, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, কোষগহ্বর, লাইসোজোম ইত্যাদি হল ঝিল্লিযুক্ত সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু।
- কোষকঙ্কাল, রাইবোজোম, সেন্ট্রোজোম ইত্যাদি হল ঝিল্লীবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু।
- জলীয় দ্রবণে pH এর মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়।
- নিরপেক্ষ কোনো দ্রবণের pH এর মান ৭।
- এসিড দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে কম হয় এবং ক্ষারের দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে বেশি হয়।
- pH স্কেলে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের pH এর মান ০ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষারের pH এর মান ১৪।
উল্লেখ্য,
- বিশুদ্ধ পানির PH ৭
- মানুষের রক্তের PH হলো ৭.২ - ৭.৪
- অক্সিজেন গ্রিনহাউজ গ্যাস নয় ।
- বায়ূমন্ডলে অনেক প্রকারের গ্রিনহাউজ গ্যাস আছে ।
- কিন্তু নিম্নোক্তগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যামান । যেমনঃ নাইট্রাস অক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, সিএফসি ও জলীয় বাস্প ।
রিপাবলিক' গ্রন্থের রচয়িতা প্লেটো
প্লেটো তার বিখ্যাত বই 'রিপাবলিক'-এ প্রথমবারের মতো রাষ্ট্র ও সরকারের প্রকৃতি ও কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করেছেন
পিটার অ্যালবার্ট ডেভিড সিঙ্গার (জন্ম 6 জুলাই 1946) একজন বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়ান নৈতিক ও রাজনৈতিক দার্শনিক। তিনি জৈব-নৈতিকতা নিয়ে কাজ করার জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং আধুনিক প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একজন প্রবর্তক হিসেবে বিবেচিত হন।
- সিঙ্গার প্রাণী অধিকার ধারণার একজন প্রবল সমর্থক। তিনি যুক্তি দেন যে সমস্ত সংবেদনশীল প্রাণীরই কষ্ট এড়ানোর এবং সুখ অনুভব করার নৈতিক অধিকার রয়েছে। তার বিখ্যাত বই "Animal Liberation" প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি মূল পাঠ্য হয়ে উঠেছে।
সিঙ্গারের কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা:
- Animal Liberation (1975): প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি মূল পাঠ্য।
- The Ethics of What We Eat (1981): মাংস খাওয়ার নীতিশাস্ত্র নিয়ে একটি আলোচনা।
- Practical Ethics (1979): নীতিশাস্ত্রের নীতিগুলিকে বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করার উপর একটি পাঠ্যপুস্তক।
- One Day You Will Eat Vegan (2021): উদ্ভিজ্জ খাবার গ্রহণের নৈতিক ও পরিবেশগত যুক্তি নিয়ে একটি বই।
জব সলুশন