জাপানিজ শব্দ 'সুনামি' এর অর্থ কী?
জাপানি শব্দ 'সুনামি' অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। সুনামি 'সমুদ্রের ঢেউ' নামে অধিকভাবে পরিচিত। কিন্তু চন্দ্র অথবা সূর্যের আকর্ষণের দ্বারা প্রকৃতপক্ষে এ ঢেউয়ের উৎপত্তি হয় না। মূলত সুনামি হলো ভূমিকম্পের সময় সমুদ্রতলের উলম্ব স্থানচ্যুতির ফলাফল। একটি পুকুরে ঢিল নিক্ষেপের ফলে যে ধরনের মৃদু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তার সাথে সুনামির তুলনা করা চলে। সুনামির ক্ষেত্রে ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসে। উপকূলে এসে ঢেউয়ের উচ্চতা অনেক বৃদ্ধি পায় এবং উপকূলে আঘাত হেনে জনবসতি ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটায়।
Related Questions
* নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে।
* নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে।
* নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°; উত্তর মেরু বা সুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা কুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ।
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ। ব্যাখ্যাঃ দুবাইয়ে জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক বৈশ্বিক সম্মেলন কনফারেন্স অব পার্টিজ বা কপ-২৮ এ একটি নতুন চুক্তির বিষয়ে সবাই ঐকমত্যে পৌঁছেছে, যাতে প্রথমবারের মতো তেল, গ্যাস ও কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে সরে আসার জন্য দেশগুলোর প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।
ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি যে স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়, তাকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। এটি বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। জীবজগতের জন্য এ স্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ স্তরের গড় গভীরতা ১২ কি.মি। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব বেশি থাকে। আবহাওয়া ও জলবায়ুর দিক থেকেও এ স্তর গুরুত্বপূর্ণ। এ স্তরে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিলিত হয়ে মেঘ ও ঝড়ের সৃষ্টি করে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটায়। ঝড় ও আবহাওয়ার পরিবর্তন এ ট্রপোমন্ডলেই সীমাবদ্ধ। এজন্য কখনো কখনো এ মন্ডলকে আবহাওয়া মন্ডল নামেও অভিহিত করা হয়।
ট্রপোস্ফিয়ারে অর্থাৎ নিম্ন বায়ুমন্ডলে প্রতি কিলোমিটারে ৬.৪° সেলসিয়াস বা প্রতি হাজার ফুটে ৩.৫০ ফা. হারে বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায়। বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাসের এ হারকে পরিবেশগত তাপ হ্রাস হার (Environmental lapse rate) বা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal lapse rate) বলে
পৃথিবীর সবচেয়ে উপরের স্তর ভূত্বক এবং এটির নিচের স্তর নিয়ে তৈরি কঠিন অংশটি হলো লিথোস্ফিয়ার । ভূ-অভ্যন্তরের এ অংশে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত এবং সেগুলো বিভিন্ন দিকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। একসময় এসব প্লেটগুলো একটি অপরটির দিকে এসে সংঘর্ষ ঘটে। ফলে তুলনামূলকভাবে ভারী প্লেটটি অন্য প্লেটের নিচে ঢুকে যায়। সংঘর্ষের সীমানায় যে প্লেটটি উপরে থাকে সেটি উপরের দিকে ওঠার সময় পর্বতমালা তৈরি করে। এভাবে ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্বে হিমালয় পর্বতমালার পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছে।
দ্রাঘিমা (Longtitude): গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে বা পশ্চিমে যে কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা হয়।
যদি গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনো স্থানের সময় জানা থাকে তাহলে দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য অনুসারে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্য ধরে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা বেশি হবে এবং পশ্চিমে হলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫০।
সুতরাং
সময়ের পার্থক্য = ৪৫° ×৪ মিনিট
= ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা
স্থানটি ঢাকা থেকে পূর্বদিকে হওয়ায় সময় বাড়বে।
স্থানটির স্থানীয় সময় = ঢাকার সময় + ৩ ঘণ্টা
= মধ্যাহ্ন ১২:০০ + ৩ ঘণ্টা
= বিকাল ৩:০০ টা।
হিলি স্থলবন্দরটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত।
জব সলুশন