মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন কে?
মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায়।
Related Questions
সোমপুর মহাবিহার পাল শাসনামলের নিদর্শন। এটি একটি বৌদ্ধবিহার। পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব অষ্টম/নবম শতকে এই বিহার তৈরি করেছিলেন। ১৮৭৯ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন।
খরা (Drought) দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফসল জন্মানোর স্বাভাবিক সময়ে শস্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্দ্রতার চাইতে জমিতে কম আর্দ্রতা থাকলে সে সময়কে বাংলাদেশে খরা অবস্থা বলা হয়। বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাসমূহে মাঝেমধ্যেই খরার প্রকোপ দেখা যায়। অনেক সময় এ খরার রেশ ধরেই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়।
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control Measures) দুইভাবে নেওয়া যায়ঃ
(I)সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General management):
১) সহজে স্থানান্তরযোগ্য
২) নদীর দুই তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
৩) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
৪) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
(II)শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Labour intensive and expensive engineering management):
১) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর পানির পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২) সন্নিহিত স্থানে জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) নদী তীরকে উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে জলবায়ুর যে মারাত্মক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে তার প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। নিচে এ সম্পর্কিত তথ্যবহুল কয়েকটি উদাহরণ উল্লেখ করা হলো-
বিশ্বব্যাংক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০০৯ সালে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক (যেমন- মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা) চিহ্নিত করেছে এবং এ ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে।
অন্যদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয় ভূমিকম্প। ভূমিকম্প: পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ কোনো কারণে কেঁপে ওঠাকে সাধারণভাবে ভূমিকম্প বলে। মূলত ভূ-অভ্যন্তরে কোনো কারণে (তাপ ও চাপের তারতম্যজনিত) দ্রুত বিপুল শক্তি মুক্ত হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে যে প্রবল ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্প বলে।
জাপানি শব্দ 'সুনামি' অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। সুনামি 'সমুদ্রের ঢেউ' নামে অধিকভাবে পরিচিত। কিন্তু চন্দ্র অথবা সূর্যের আকর্ষণের দ্বারা প্রকৃতপক্ষে এ ঢেউয়ের উৎপত্তি হয় না। মূলত সুনামি হলো ভূমিকম্পের সময় সমুদ্রতলের উলম্ব স্থানচ্যুতির ফলাফল। একটি পুকুরে ঢিল নিক্ষেপের ফলে যে ধরনের মৃদু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তার সাথে সুনামির তুলনা করা চলে। সুনামির ক্ষেত্রে ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসে। উপকূলে এসে ঢেউয়ের উচ্চতা অনেক বৃদ্ধি পায় এবং উপকূলে আঘাত হেনে জনবসতি ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটায়।
* নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে।
* নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে।
* নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°; উত্তর মেরু বা সুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা কুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ।
জব সলুশন