জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে যে গ্রীন হাউজ গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে-

ক) জ্বালানিবাস্প
খ) ক্লোরফ্লোর কার্বন
গ) কার্বনডাই অক্সাইড
ঘ) মিথেন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন, কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) দহন করার ফলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কার্বন-ডাই অক্সাইড (CO₂) বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়।
- জীবাশ্ম জ্বালানি মূলত ক্যার্বন-ঘটিত যৌগ এবং যখন এগুলোর দহন ঘটে, তখন এই যৌগগুলির কার্বন আণবিকভাবে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে কার্বন-ডাই অক্সাইড (CO₂) তৈরি করে এবং তা বায়ুমণ্ডলে চলে আসে।

- বিশ্বের গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এটি গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত।
- জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে কার্বন-ডাই অক্সাইডের উৎস সবচেয়ে বড়, কারণ কলকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং যানবাহনের জন্য অধিকাংশ শক্তি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকেই আসে। 

অন্যদিকে,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs), মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও, এগুলোর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম এবং এগুলো মূলত বিভিন্ন শিল্পপ্রক্রিয়া বা কৃষি কর্মকাণ্ড থেকে নির্গত হয়।
- তবে, কার্বন-ডাই অক্সাইড এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি এবং এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বেড়ে যাচ্ছে জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে।

Related Questions

ক) খনিরভিতর
খ) পাহাড়ের উপর
গ) মেরু অঞ্চলে
ঘ) বিষুব অঞ্চলে
Note :

একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল । যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি।

ক) উন্মিলন
খ) উন্মিলণ
গ) উন্মীলণ
ঘ) উন্মীলন
Note :

সঠিক উত্তরটি হলো: উন্মীলন ,

ক) কর্মে সপ্তমী
খ) করণে সপ্তমী
গ) অপাদানে সপ্তমী
ঘ) অধিকরণে সপ্তমী
Note :

”তিনি ব্যাকরণে পন্ডিত” বাক্যে ”ব্যাকরণে” শব্দটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি । 

তিনি ব্যাকরণ বিষয়ে পারদর্শী বা পন্ডিত। স্থান, সময় বা বিষয়ে যোগ্যতা/দক্ষতা বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। এখানে 'ব্যাকরণ' শব্দের সাথে 'এ' (ব্যাকরণ+এ) বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।

ক) ৩
খ) ২২/৭
গ) ২৫/৯
ঘ) প্রায় ৫
Note :

বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত π: ১ বা ২২/৭ ।

আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি ২πr (π = পাই, r = ব্যাসার্ধ)

এবং বৃত্তের ব্যাস ২r (r = ব্যাসার্ধ)।

সুতরাং বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত π: ১ বা ২২/৭ ।

ক) তিলে তৈল আছে
খ) দুধ থেকে ঘি হয়
গ) তিল থেকে তেল হয়
ঘ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়
Note :

ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান (আধার) বা সময়কে (কাল) অধিকরণ কারক বলে। বাক্যের ক্রিয়াপদকে "কোথায়", "কখন" বা "কী বিষয়ে" দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।

'তিলে তৈল আছে' বাক্যটিতে 'তিলে' হলো অধিকরণ কারক। কারণ, এখানে তেল তিলের ভেতরে অবস্থান করছে বা বিরাজ করছে, যা আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে। এটি অভিব্যাপক অধিকরণের উদাহরণ (তিলে তৈল আছে)। 

ক) ৪৫
খ) ৫৫
গ) ৬২
ঘ) ৬৫
Note :

এই ধারাটির সাধারণ ধর্ম হল, পদ গুলের পার্থক্য আগের পার্থক্যের চেয়ে ১ বেশি।

 

১, ৩ পদ পার্থক্য ২

 

৩,৬ পদ পার্থক্য ৩

 

৬,১০ পদ পার্থক্য ৪

 

এরকম করে লিখলে ধারাটি দাঁড়াবে,

 

১,৩,৬,১০,১৫,২১,২৮,৩৬,৪৫,৫৫

সঠিক উত্তর - ৫৫।

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন