মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল , তখন তার নাম ছিল–
মহাস্থানগড় একসময় বাংলাদেশের রাজধানী ছিল। তখন তার নাম ছিল - - পুণ্ড্র নগর।
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। যিশু খ্রিষ্টের জন্মেরও আগে অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবেই তার প্রমাণ মিলেছে।
Related Questions
“এখানে যারা প্রাণ দিয়াছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসি নি” – এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির রচিয়তা হলেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী। এটি তাঁর লেখা "কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি" কবিতার অংশ।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকায় পুলিশের গুলিতে ছাত্ররা শহীদ হওয়ার খবর চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর, মাহবুব উল আলম চৌধুরী জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় এই ঐতিহাসিক কবিতাটি রচনা করেন। একই রাতে কোহিনূর ইলেকট্রিক প্রেসে এটি ছাপা হয় এবং পরদিন ২২শে ফেব্রুয়ারি লালদীঘির ময়দানে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় কাব্যপুস্তিকাটি বিলি করা হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকার এই কাব্যপুস্তিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে। এটি আবিষ্কার হয় ১৯৫৭ সালে।
বাংলাদেশে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে। এই কয়লা খনি ১৯৬২ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হয়, যেখানে উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়। খনির গভীরতা প্রায় ৬৪০-১১৫৮ মিটার। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৬টি কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়েছে, যথা: জামালগঞ্জ, বড়পুকুরিয়া, খালাশপীর, দীঘাপাড়া, ফুলবাড়ী এবং পাঁচবিবি।
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম স্বাধীন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি প্রথম দিকে দিল্লির সালতানাতের অধীনে কাজ করতেন। পরে বাংলায় চলে আসেন। বাংলায় দিল্লির প্রাদেশিক গভর্নর ইয়াহিয়ার মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতা দখল করে বাংলাকে দিল্লির অধীন থেকে মুক্ত ঘোষণা করেন
ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলান জমিদার মীর্জা গোলাম পীর । সাদা মার্বেলের ৩টি গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে ।
জব সলুশন