পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারন, আলোর—

ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
খ) প্রতিসরণ
গ) বিচ্ছুরণ
ঘ) পোলারায়ন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মাধ্যম পরিবর্তনের ফলে আলোক রশ্মির অভিমুখ পরিবর্তিত হয়, এ ঘটনাকেই বলা হয় প্রতিসরণ
- যখন আলো লঘু মাধ্যম (যেমন বায়ু) থেকে ঘন মাধ্যম (যেমন পানি) এ প্রবেশ করে, তখন তা অভিলম্বের দিকে বাঁক নেয়, ফলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের তুলনায় বড় হয়।
- আবার ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে গেলে আলো অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
- এই প্রতিসরণের ফলেই পানিতে ডোবানো বৈঠাটি বাঁকা বা ভাঙা মনে হয়, কারণ তার নিমজ্জিত অংশটি অন্যত্র অবস্থান করছে বলে আমাদের চোখে প্রতিভাস হয়।

Related Questions

ক) ৭৫ ডি বি
খ) ৯০ ডি বি
গ) ১০৫ ডি বি
ঘ) ১২০ ডি বি
Note :

যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে ১০৫ ডিবি।

-শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক যদি ২০ থেকে ২০, ০০০ হার্জ এর মধ্যে হয় তাহলে মানুষ সেই শব্দ শুনতে পারে। 

-কিন্তু শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডেসিবেল সীমার উপরে হলে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে মানুষকে বধির করে দিতে পারে।

ক) মেঘের অসংখ্য জলকনা ও বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
খ) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
গ) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
ঘ) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
Note :

"মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে"

🔹 কারণ, মেঘের মধ্যে পানি ও বরফ কণাগুলোর ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ তৈরি হয়। যখন চার্জের পার্থক্য বেশি হয়ে যায়, তখন বিদ্যুতের নির্গমন ঘটে, যা আমরা বিজলী চমকানো হিসেবে দেখি।

ক) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি
খ) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
গ) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
ঘ) বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান
Note :

কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে যদি এটি না ভেসে উপরে উঠে আসে এবং তলিয়েও না যায়, তবে বুঝতে হবে বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের একেবারে সমান。 এর ফলে বস্তুর ওজন এবং পানির ঊর্ধ্বমুখী বল (প্লাবতা) সমান হয়, তাই বস্তুটি যেখানে রাখা হয় সেখানেই স্থির থাকে।

ক) অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
খ) পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
গ) ডিজিটাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
ঘ) স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
Note :

'পোলারয়েড' বিশেষভাবে তৈরি স্বচ্ছ মাধ্যম। এর মধ্যে দিয়ে সাধারণ আলো পাঠালে সমবর্তিত আলো পাওয়া যায়। এ সূত্র কাজে লাগিয়ে ফটোকপি মেশিন তৈরি করা হয়। রোদ চশমা, ক্যামেরার লেন্সের সামনে লাগানোর ফিল্টার ইত্যাদিতে আলোর ঝলসানোভাব কমানোর জন্য পোলারয়েডের ব্যবহার রয়েছে।

ক) ৪
খ) ৭
গ) ৯
ঘ) ৮
Note :

আমরা জানি, একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃকোণ এবং বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি ১৮০°।
একটি সুষম বহুভুজের বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° - অন্তঃকোণ
= ১৮০° – ১৩৫° = ৪৫°

সুষম বহুভুজের মোট বহিঃস্থ কোণের যোগফল = ৩৬০°
প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ যদি ৪৫° হয়, তাহলে:
বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ ৪৫° = ৮

∴ বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ৮ টি

ক) ৭২:১০৫
খ) ৭২:৩৫
গ) ৩৫:৭২
ঘ) ১০৫:৭২
Note :

একাধিক সরল অনুপাতের পূর্ব রাশিগুলোর গুণফলকে পূর্ব রাশি এবং উত্তর রাশিগুলোর গুণফলকে উত্তর রাশি ধরে যে নতুন অনুপাত পাওয়া যায়, তাকে মিশ্র অনুপাত বলে।
এখানে প্রদত্ত অনুপাতগুলো হলো:
৫:১৮
৭:২
৩:৬

মিশ্র অনুপাত নির্ণয়ের পদ্ধতি:
১. পূর্ব রাশিগুলোর গুণফল: অনুপাতগুলোর প্রথম পদগুলোকে (পূর্ব রাশি) একসাথে গুণ করতে হবে।
পূর্ব রাশিগুলোর গুণফল = ৫ × ৭ × ৩ = ১০৫

২. উত্তর রাশিগুলোর গুণফল: অনুপাতগুলোর দ্বিতীয় পদগুলোকে (উত্তর রাশি) একসাথে গুণ করতে হবে।
উত্তর রাশিগুলোর গুণফল = ১৮ × ২ × ৬ = ২১৬

৩. নতুন অনুপাত গঠন: এখন, প্রাপ্ত গুণফল দুটি দিয়ে নতুন অনুপাতটি হলো ১০৫:২১৬।

৪. অনুপাতকে সরলীকরণ: অনুপাতটিকে তার সবচেয়ে সরল রূপে প্রকাশ করার জন্য উভয় রাশিকে তাদের সাধারণ গুণনীয়ক দিয়ে ভাগ করতে হবে। ১০৫ এবং ২১৬ উভয়ই ৩ দ্বারা বিভাজ্য।
১০৫ ÷ ৩ = ৩৫
২১৬ ÷ ৩ = ৭২

সুতরাং, সরলীকৃত মিশ্র অনুপাতটি হলো ৩৫:৭২।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন