প্রবল জোয়ারের কারণ , এ সময়—

ক) সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
খ) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
গ) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
ঘ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

প্রবল জোয়ার (ভরা কটাল) ঘটে যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এই সময়ে চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় টানের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি জোয়ার আসে। এটি অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে ঘটে থাকে।

 

Related Questions

ক) একটি পরমানু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে
খ) একাধিক পরমানু যুক্ত হয়ে নতুন পরমানু গঠন করে
গ) ভারি পরমানু ভেঙ্গে হালকা পরমানু গঠিত হয়
ঘ) একটি পরমানু ভেঙ্গে দুটি পরমানু সৃষ্টি হয়
Note :

প্রবল চাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটির সঙ্গে আরেকটি মিলে যায়। হাইড্রোজেন পরমাণু একীভূত হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। আর এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় হিলিয়াম। একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে আগের চেয়ে ভারী পরমাণু উৎপন্ন করার এই প্রক্রিয়ায় একই সঙ্গে নতুন মৌল ও শক্তি পাওয়া যায়। এই শক্তির উৎস হচ্ছে পরমাণুগুলোর কেন্দ্র,  যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কিন্তু এই ফিউশন প্রক্রিয়া থেকে সব সময় শক্তি পাওয়া যায় না। আয়রন বা লোহার চেয়ে ভারী মৌলের পরমাণুর ক্ষেত্রে ফিউশনের ফলে শক্তির শোষণ হয়।

ক) বাষ্পীয় ইঞ্জিন
খ) অন্তর্দহন ইঞ্জিন
গ) স্টারলিং ইঞ্জিন
ঘ) রকেট ইঞ্জিন
Note :

নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। তাই বেলুন ছুড়লে পিছন দিয়ে বাতাস নির্গত হয় এবং বেলুন সামনের দিকে এগোয়। এই একই সূত্র রকেট তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছে।

ক) নাইট্রিক এসিড
খ) সালফিউরিক এসিড
গ) এমোনিয়াম ক্লোরাইড
ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
Note :

স্টোরেজ ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোড হিসেবে তামার ও দস্তার পাত সালফিউরিক এসিডে ডুবিয়ে রাখা হয়।

ক) ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহার হয়
খ) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
গ) পালের দড়িতে টানের নিয়ন্ত্রন বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে
ঘ) পালের আকৃতিক সুকৌশল ব্যবহার করা যায়
Note :

পালতোলা নৌকার পালের সাহায্যে সম্পূর্ণ অন্য বা বিপরীত দিকের বাতাসকে সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করার কৌশলটি হলো— সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা

ক) রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
খ) রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
গ) কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
ঘ) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন
Note :

সঠিক উত্তর উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন

দূর অনুধাবন (ইংরেজি : Remote Sensing) হল কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে সেই বস্তু হতে তার গুনাবলি সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং পর্যবেক্ষন করার এক ধরনের কৌশল । এক্ষেত্রে বিভিন্ন সেন্সর বা ডিভাইস ব্যবহার করা হয় । দূর অনুধাবন হচ্ছে জিওইনফরমেটিক্স এর একটা বড় অংশ । এটা আবার ভূ - বিজ্ঞানের একটি উপশাখা বলা যায় । বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। মহাকাশ তথা উপগ্রহ প্রযুক্তি আধুনিক যুগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি বর্তমান মহাকাশ প্রযুক্তির যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। এটা এমন এক কৌশল যার মাধ্যমে রিমোট সেন্সিং ডিভাইসের দ্বারা কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি বলতে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের দ্বারা মহাকাশ ও পৃথিবী পর্যবেক্ষণকে অনেকে বুঝিয়ে থাকেন। যদিও এর মানে শুধু মহাকাশ হতে পর্যবেক্ষণ বুঝানো একেবারে ঠিক হবেনা কারণ RADAR ও LIDAR এর সাহায্যে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সিগন্যাল পাঠিয়ে রিমোট সেন্সিং এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যকে কম্পিউটারের মধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞের পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক । উদাহারন হিসেবে বলা যায় - আকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ বা বিমান থেকে পরিবেশের কোন উপাদানের তথ্য সংগ্রহ । দূর অনুধাবন কৌশলে বেশ কিছু সেন্সর ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল - ক্যামেরালেসাররেডিও তরঙ্গ গ্রহণকারী রিসিভার বা সংগ্রাহকরাডার ব্যবস্থাসনারসীসমোগ্রাফগ্রাভিমিটারসম্যাগ্নেটমিটার।উপগ্রহ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ ও আমাদের বাস যোগ্য পৃথিবীর দুর্গম স্থান পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়েছে। আকাশের উপরে অবস্থিত বিভিন্ন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ব্যবহার করে খুব সুন্দরভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা সহ ভারত, জাপান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, উত্তর কোরিয়া, চীন খুব ভাল ভাবে মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য নিয়ে আসছে।

ক) সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষনে ঘাটতি
খ) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি
গ) প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃএিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
ঘ) গাছপালা আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে মরুভূমির বিস্তার
Note :

গ্রীন হাউস এফেক্ট হল পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন