রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায়—

ক) রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
খ) রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
গ) কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
ঘ) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সঠিক উত্তর উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন

দূর অনুধাবন (ইংরেজি : Remote Sensing) হল কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে সেই বস্তু হতে তার গুনাবলি সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং পর্যবেক্ষন করার এক ধরনের কৌশল । এক্ষেত্রে বিভিন্ন সেন্সর বা ডিভাইস ব্যবহার করা হয় । দূর অনুধাবন হচ্ছে জিওইনফরমেটিক্স এর একটা বড় অংশ । এটা আবার ভূ - বিজ্ঞানের একটি উপশাখা বলা যায় । বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। মহাকাশ তথা উপগ্রহ প্রযুক্তি আধুনিক যুগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি বর্তমান মহাকাশ প্রযুক্তির যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। এটা এমন এক কৌশল যার মাধ্যমে রিমোট সেন্সিং ডিভাইসের দ্বারা কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি বলতে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের দ্বারা মহাকাশ ও পৃথিবী পর্যবেক্ষণকে অনেকে বুঝিয়ে থাকেন। যদিও এর মানে শুধু মহাকাশ হতে পর্যবেক্ষণ বুঝানো একেবারে ঠিক হবেনা কারণ RADAR ও LIDAR এর সাহায্যে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সিগন্যাল পাঠিয়ে রিমোট সেন্সিং এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যকে কম্পিউটারের মধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞের পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক । উদাহারন হিসেবে বলা যায় - আকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ বা বিমান থেকে পরিবেশের কোন উপাদানের তথ্য সংগ্রহ । দূর অনুধাবন কৌশলে বেশ কিছু সেন্সর ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল - ক্যামেরালেসাররেডিও তরঙ্গ গ্রহণকারী রিসিভার বা সংগ্রাহকরাডার ব্যবস্থাসনারসীসমোগ্রাফগ্রাভিমিটারসম্যাগ্নেটমিটার।উপগ্রহ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ ও আমাদের বাস যোগ্য পৃথিবীর দুর্গম স্থান পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়েছে। আকাশের উপরে অবস্থিত বিভিন্ন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ব্যবহার করে খুব সুন্দরভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা সহ ভারত, জাপান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, উত্তর কোরিয়া, চীন খুব ভাল ভাবে মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য নিয়ে আসছে।

Related Questions

ক) সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষনে ঘাটতি
খ) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি
গ) প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃএিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
ঘ) গাছপালা আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে মরুভূমির বিস্তার
Note :

গ্রীন হাউস এফেক্ট হল পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ক) এটি হাল্কা ও দামে সস্তা
খ) এটি সব দেশেই পাওয়া যায়
গ) এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
ঘ) এটি সহজে ভেঙ্গে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে
Note :

রান্না করার হাড়ি - পাতিল সাধারণত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এর প্রধান কারণ এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় এবং এর কোন রাসায়নিক খারাপ বিক্রিয়া নেই বললেই চলে এবং এটি সহজলভ্য । তাপ পরিবাহক হিসেবে স্টিলের চেয়ে অ্যালুমিনিয়াম অনেকগুণে বেশি ভালো। আর লোহায় মরিচা ধরে, অ্যালুমিনিয়ামে ধরে না। সে হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম প্রিফারেবল।

ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
খ) প্রতিসরণ
গ) বিচ্ছুরণ
ঘ) পোলারায়ন
Note :

মাধ্যম পরিবর্তনের ফলে আলোক রশ্মির অভিমুখ পরিবর্তিত হয়, এ ঘটনাকেই বলা হয় প্রতিসরণ
- যখন আলো লঘু মাধ্যম (যেমন বায়ু) থেকে ঘন মাধ্যম (যেমন পানি) এ প্রবেশ করে, তখন তা অভিলম্বের দিকে বাঁক নেয়, ফলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের তুলনায় বড় হয়।
- আবার ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে গেলে আলো অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
- এই প্রতিসরণের ফলেই পানিতে ডোবানো বৈঠাটি বাঁকা বা ভাঙা মনে হয়, কারণ তার নিমজ্জিত অংশটি অন্যত্র অবস্থান করছে বলে আমাদের চোখে প্রতিভাস হয়।

ক) ৭৫ ডি বি
খ) ৯০ ডি বি
গ) ১০৫ ডি বি
ঘ) ১২০ ডি বি
Note :

যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে ১০৫ ডিবি।

-শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক যদি ২০ থেকে ২০, ০০০ হার্জ এর মধ্যে হয় তাহলে মানুষ সেই শব্দ শুনতে পারে। 

-কিন্তু শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডেসিবেল সীমার উপরে হলে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে মানুষকে বধির করে দিতে পারে।

ক) মেঘের অসংখ্য জলকনা ও বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
খ) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
গ) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
ঘ) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
Note :

"মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে"

🔹 কারণ, মেঘের মধ্যে পানি ও বরফ কণাগুলোর ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ তৈরি হয়। যখন চার্জের পার্থক্য বেশি হয়ে যায়, তখন বিদ্যুতের নির্গমন ঘটে, যা আমরা বিজলী চমকানো হিসেবে দেখি।

ক) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি
খ) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
গ) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
ঘ) বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান
Note :

কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে যদি এটি না ভেসে উপরে উঠে আসে এবং তলিয়েও না যায়, তবে বুঝতে হবে বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের একেবারে সমান。 এর ফলে বস্তুর ওজন এবং পানির ঊর্ধ্বমুখী বল (প্লাবতা) সমান হয়, তাই বস্তুটি যেখানে রাখা হয় সেখানেই স্থির থাকে।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন