রান্না করার হাড়িপাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয় এর প্রধান কারন—
রান্না করার হাড়ি - পাতিল সাধারণত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এর প্রধান কারণ এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় এবং এর কোন রাসায়নিক খারাপ বিক্রিয়া নেই বললেই চলে এবং এটি সহজলভ্য । তাপ পরিবাহক হিসেবে স্টিলের চেয়ে অ্যালুমিনিয়াম অনেকগুণে বেশি ভালো। আর লোহায় মরিচা ধরে, অ্যালুমিনিয়ামে ধরে না। সে হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম প্রিফারেবল।
Related Questions
মাধ্যম পরিবর্তনের ফলে আলোক রশ্মির অভিমুখ পরিবর্তিত হয়, এ ঘটনাকেই বলা হয় প্রতিসরণ।
- যখন আলো লঘু মাধ্যম (যেমন বায়ু) থেকে ঘন মাধ্যম (যেমন পানি) এ প্রবেশ করে, তখন তা অভিলম্বের দিকে বাঁক নেয়, ফলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের তুলনায় বড় হয়।
- আবার ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে গেলে আলো অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
- এই প্রতিসরণের ফলেই পানিতে ডোবানো বৈঠাটি বাঁকা বা ভাঙা মনে হয়, কারণ তার নিমজ্জিত অংশটি অন্যত্র অবস্থান করছে বলে আমাদের চোখে প্রতিভাস হয়।
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে ১০৫ ডিবি।
-শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক যদি ২০ থেকে ২০, ০০০ হার্জ এর মধ্যে হয় তাহলে মানুষ সেই শব্দ শুনতে পারে।
-কিন্তু শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডেসিবেল সীমার উপরে হলে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে মানুষকে বধির করে দিতে পারে।
✅ "মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে"
🔹 কারণ, মেঘের মধ্যে পানি ও বরফ কণাগুলোর ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ তৈরি হয়। যখন চার্জের পার্থক্য বেশি হয়ে যায়, তখন বিদ্যুতের নির্গমন ঘটে, যা আমরা বিজলী চমকানো হিসেবে দেখি।
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে যদি এটি না ভেসে উপরে উঠে আসে এবং তলিয়েও না যায়, তবে বুঝতে হবে বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের একেবারে সমান。 এর ফলে বস্তুর ওজন এবং পানির ঊর্ধ্বমুখী বল (প্লাবতা) সমান হয়, তাই বস্তুটি যেখানে রাখা হয় সেখানেই স্থির থাকে।
'পোলারয়েড' বিশেষভাবে তৈরি স্বচ্ছ মাধ্যম। এর মধ্যে দিয়ে সাধারণ আলো পাঠালে সমবর্তিত আলো পাওয়া যায়। এ সূত্র কাজে লাগিয়ে ফটোকপি মেশিন তৈরি করা হয়। রোদ চশমা, ক্যামেরার লেন্সের সামনে লাগানোর ফিল্টার ইত্যাদিতে আলোর ঝলসানোভাব কমানোর জন্য পোলারয়েডের ব্যবহার রয়েছে।
আমরা জানি, একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃকোণ এবং বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি ১৮০°।
একটি সুষম বহুভুজের বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° - অন্তঃকোণ
= ১৮০° – ১৩৫° = ৪৫°
সুষম বহুভুজের মোট বহিঃস্থ কোণের যোগফল = ৩৬০°
প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ যদি ৪৫° হয়, তাহলে:
বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ ৪৫° = ৮
∴ বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ৮ টি
জব সলুশন