বাংলাদেশের পোষ্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?

ক) রাজশাহী
খ) ঢাকা
গ) চট্টগ্রামচট্টগ্রাম
ঘ) চট্টগ্রাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮২ সালে পোস্টাল একাডেমী, রাজশাহীর যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপে ও অবস্থানে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও পুনঃগঠিত হয়। তবে এ একাডেমীটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দিকেই গ্রহণ করা হয়। ১৯৭৪ সালে চুড়ান্তভাবে এ একাডেমীটি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

Related Questions

ক) বিজয় স্তম্ভ
খ) বিজয়কেতন
গ) স্বাধীনতা সোপান
ঘ) রক্ত সোপান
Note :

রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান

ক) ৭০০ কি.মি
খ) ৫৭০ কি.মি
গ) ৩০০ কি.মি
ঘ) ১৭০ কি.মি
Note :

১. তারিখ ও স্থান: ২৭ মার্চ ২০০৪, দুবাই।

২. চুক্তির বিষয়: সাবমেরিন ক্যাবলের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ।

৩. কনসোর্টিয়াম: SEA-ME-WE-4 (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য পশ্চিম ইউরোপ -৪)।

৪. অংশগ্রহণকারী: ১৪টি দেশের ১৬টি টেলিকম প্রতিষ্ঠান।

৫. সাবমেরিন ক্যাবলের দৈর্ঘ্য:
- মোট: ২২,০০০ কিলোমিটার (ফ্রান্সের মার্সাই থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত)
- বাংলাদেশ অংশ: ১,২৪০ কিলোমিটার

৬. বাংলাদেশে সংযোগ স্থান: কক্সবাজার।

৭. অভ্যন্তরীণ সংযোগ:
- ঢাকা-চট্টগ্রাম: আগে থেকেই ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ ছিল।
- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার: ১৭০ কিমি নতুন অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়।

৮. উদ্বোধনের তারিখ: ২১ মে ২০০৬।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তির নেটওয়ার্কের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়, যা দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

ক) হামিদুর রহমান
খ) মৃনাল হক
গ) শামিম শিকদারশামিম শিকদার
ঘ) সিলেট
Note :

'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। তার অন্যান্য গরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম হচ্ছে মতিঝিল বিমান অফিসের সামনের 'বলাকা' এবং রাজশাহী বিদ্যালয়ের 'গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার'।

ক) ২০১০
খ) ২০১৫
গ) ২০২০
ঘ) ২০২৫
Note :

লেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (MDG) অর্জনের সময়সীমা ছিল ২০১৫ সাল।

ক) দিনাজপুর
খ) গোপালপুর
গ) পাকশী
ঘ) ইশ্বরদী
Note :

বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

ক) ৭ জন
খ) ৬৮ জন
গ) ৬৮ জন
ঘ) ৪২৬ জন
Note :

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ ডিসেম্বর ,১৯৭৩ সালে মোট ৬৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয় । এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন ,বীর উত্তম ৬৮ জন ,বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন ।
 

বর্তমানে খেতাবগুলো হলো:
বীরপ্রতীক- ৪২৪ জন
বীরবিক্রম- ১৭৪ জন
বীরউত্তম- ৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৮ জন)
বীরশ্রেষ্ঠ- ০৭ জন
মোট খেতাবধারী- ৬৭২ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৭৩ জন)

গত ৭ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকান্ডের চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম), লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন