১৯৯১ সালের Business International-এর সমীক্ষায় জীবনযাত্রার ব্যয়ভার সবচেয়ে বেশি—
১৯৯১ সালের 'বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল' (Business International)-এর সমীক্ষায় জীবনযাত্রার ব্যয়ভার সবচেয়ে বেশি ছিল টোকিওতে।
Related Questions
নিয়ত বায়ুপ্রবাহ [Planetary or Permanent wind]:- বায়ুচাপের পার্থক্যই নিয়ত বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ, যেখানে বায়ুচাপ বেশি, সেখান থেকে যেদিকে বায়ুচাপ কম, সেদিকেই বায়ু প্রবাহিত হয় । এই নিয়ম মেনে পৃথিবীর চারটি স্থায়ী উচ্চচাপ বলয় থেকে তিনটি স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে ও নির্দিষ্ট গতিতে প্রবাহিত বায়ুই হল নিয়তবায়ু প্রবাহ । নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিনরকমের হয় যথা:-
[ক] আয়নবায়ু, [খ] পশ্চিমাবায়ু এবং [গ] মেরুদেশীয় বায়ু । বায়ুচাপ বলয়ের সঙ্গে এগুলির ঘনিষ্ট সম্পর্ক আছে ।
[ক] আয়নবায়ু [Trade Wind]:- আয়ন কথার অর্থ 'পথ' । জাহাজকে সঠিক পথে চলার জন্য এই বায়ু সাহায্য করত বলে একে আয়নবায়ু বলা হয় ।
(i) উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে এবং নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত বায়ুকে আয়নবায়ু বলে
পশ্চিমাবায়ু [Westerlies]:- উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে প্রবাহিত বায়ুপ্রবাহ পশ্চিমাবায়ু নামে পরিচিত ।আয়নবায়ুর গতির ঠিক উল্টো দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবাহকে প্রত্যায়ন বায়ু ও বলা হয় ।
মৌসুমিবায়ু হল সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ুর ব্যাপক সংস্করণ । মৌসুমি বায়ু হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে প্রবাহিত বায়ু।
- কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি।
- এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই এখানকার আবহাওয়াতে নিরক্ষীয় প্রভাব দেখা যায়।
প্রধান দুটি উপাদান অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন ছাড়াও বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড জলীয় বাষ্প ও অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে। মিশ্র পদার্থের বিভিন্ন উপাদানের অনুপাত সর্বত্র সমান হয় না। বায়ুতে তার উপাদানগুলো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অনুপাতে থাকে। জলাভূমির বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস বেশি থাকে। আবার উপরের বায়ুতে নিচের বায়ু অপেক্ষা অক্সিজেন কম থাকে। অতএব বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ।
প্রবল জোয়ার (ভরা কটাল) ঘটে যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এই সময়ে চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় টানের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি জোয়ার আসে। এটি অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে ঘটে থাকে।
প্রবল চাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটির সঙ্গে আরেকটি মিলে যায়। হাইড্রোজেন পরমাণু একীভূত হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। আর এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় হিলিয়াম। একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে আগের চেয়ে ভারী পরমাণু উৎপন্ন করার এই প্রক্রিয়ায় একই সঙ্গে নতুন মৌল ও শক্তি পাওয়া যায়। এই শক্তির উৎস হচ্ছে পরমাণুগুলোর কেন্দ্র, যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কিন্তু এই ফিউশন প্রক্রিয়া থেকে সব সময় শক্তি পাওয়া যায় না। আয়রন বা লোহার চেয়ে ভারী মৌলের পরমাণুর ক্ষেত্রে ফিউশনের ফলে শক্তির শোষণ হয়।
নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। তাই বেলুন ছুড়লে পিছন দিয়ে বাতাস নির্গত হয় এবং বেলুন সামনের দিকে এগোয়। এই একই সূত্র রকেট তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছে।
জব সলুশন