মধ্যপদলোপী কর্মধারয় -এর দৃষ্টান্ত

ক) ঘর থেকে ছাড়া-ঘরছাড়া
খ) অরুণের মত রাঙা- অরুণরাঙা
গ) হাসি মাখা মুখ- হাসিমুখ
ঘ) ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী-ক্ষণস্থায়ী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সঠিক উত্তরটি হলো: হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ।
ব্যাখ্যা:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের ব্যাখ্যামূলক মধ্যপদটি সমস্তপদে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে ‘হাসি মাখা মুখ’ ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ ‘মাখা’ শব্দটি লোপ পেয়ে ‘হাসিমুখ’ হয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।
অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ঘর থেকে ছাড়া = ঘরছাড়া: এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস (অপাদান কারকের বিভক্তি 'থেকে' লোপ পেয়েছে)।
অরুণের মত রাঙা = অরুণরাঙা: এটি উপমান কর্মধারয় সমাস (তুলনা বোঝাতে 'মত' ব্যবহৃত হয়েছে)।
ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী: এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ বা ব্যাপ্তি তৎপুরুষ সমাস।

Related Questions

ক) ওরা কী করে‌‌ ?
খ) আপনি আসবেন
গ) আমরা যাচ্ছি
ঘ) তোরা খাসনে
Note :

নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো -  সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।

ক) আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
খ) বনের পশু বনে থাকতে ভালবাসে
গ) জীব মাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ঘ) প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
Note :

'বন্যেরা বনে সুন্দর , শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ' এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে - -

জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর

ক) ধূসর পাণ্ডুলিপি
খ) নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
গ) একক সন্ধ্যায় বসন্ত
ঘ) অন্ধকার একা
Note :

ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।

ক) আমি ভাত খাচ্ছি
খ) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
গ) আমি দুপুরে ভাত খাই
ঘ) তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠ
Note :

সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের (মনোভাব) সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন, ছেলেরা বল খেলছে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না। বক্তার আরো কিছু বলার থাকে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

ক) মোজাম্মেল হক
খ) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
গ) এয়াকুব আলী চৌধুরী
ঘ) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
Note :

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।

ক) জিঞ্জীর-কাজী নজুরুল ইসলাম
খ) সাত সাগরের মাঝি-ফররুখ আহমদ
গ) দিলরুবা-আবদুল কাদির
ঘ) নূরনামা-আবদুল হাকিম
Note :

‘জিঞ্জির’ (১৯২৮) কাজী নজরুল ইসলামের জীবনীমূলক বিদ্রোহী কাব্য। ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) ফররুখ আহমদের ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্বলিত কাব্য। ‘দিলরুবা’ (১৯৩৩) আবদুল কাদির রচিত প্রেমপ্রধান কবিতা এবং ‘নূরনামা’ আবদুল হাকিমের বাংলা ভাষার গুণকীর্তনমূলক কাব্য।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন