লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৮ কি. মি. ও ৬ কি. মি.। নদীপথে ৪৮ কি. মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে ---
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকরী গতিবেগ = (১৮+৬)কিমি/ ঘণ্টা =২৪ কিমি / ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে ২৪ কিমি যায় =১ ঘণ্টায়
∴ ৪৮ কিমি যায়= ৪৮/২৪ =২ ঘণ্টায়
স্রোতের প্রতিকুলে লঞ্চের কার্যকরী গতিবেগ = (১৮-৬)কিমি/ ঘণ্টা =১২ কিমি / ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে ১২ কিমি যায় =১ ঘণ্টায়
∴ ৪৮ কিমি যায়= ৪৮/১২ =৪ ঘণ্টায়
মোট প্রয়োজনীয় সময় =(২+৪)ঘণ্টা
= ৬ ঘণ্টা
Related Questions
সম্পূরক কোণের ক্ষেত্রে দুই সমকোণ, পূরক কোণের ক্ষেত্রে এক সমকোণ।
ক ও খ একত্রে ১ দিনে কাজ করতে পারে =১/১২ অংশ কাজ
ক ১ দিনে করতে পারে ১/২০ অংশ কাজ
খ ১ দিনে করতে পারে {(১/১২০)- (১/২০)} অংশ কাজ
= (৫-৩)/৬০ অংশ কাজ
= ১/৩০ অংশ কাজ
খ ১/৩০ অংশ কাজ করে ১ দিনে
খ ১ অংশ কাজ করে (৩০×১) দিনে
= ৩০ দিনে
১২, ১৮, ২৪ এর ল. সা. গু = ৭২ ।
নির্ণেয় সংখ্যা = ৭২ - ২ = ৭০ ।
বাসস্থান সামাজিক পরিবর্তনের উপাদান নয়।
সামাজিক পরিবর্তনের মূল উপাদান বা নিয়ামকগুলোর মধ্যে সাধারণত শিক্ষা, শিল্পায়ন, নগরায়ন, প্রযুক্তি, জনসংখ্যা, এবং প্রাকৃতিক বা সাংস্কৃতিক কারণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে, বাসস্থান হলো মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি, যা ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনের সাথে সম্পর্কিত হলেও সরাসরি সমাজ কাঠামো বা প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি নয়।
শৈবাল হলো সালোকসংশ্লেষণকারী ক্লোরোফিলযুক্ত অপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
দেহ গঠন: এদের দেহ সমাঙ্গদেহী বা থ্যালয়েড, অর্থাৎ এদের মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।
কোষের প্রকৃতি: এরা সুকেন্দ্রিক এবং এককোষী (যেমন— ক্লামাইডোমোনাস) বা বহুকোষী (যেমন— স্পাইরোগাইরা) হতে পারে।
খাদ্য প্রস্তুত: এদের কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা স্বভোজী এবং সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করতে পারে।
কোষ প্রাচীর: এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত।
পরিবহন কলা: এদের দেহে কোনো ভাস্কুলার বা পরিবহন কলা (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) থাকে না।
জনন: এরা অঙ্গজ, অযৌন ও যৌন—এই তিন পদ্ধতিতেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
মানুষের শরীরের রক্তকণিকা মূলত তিন প্রকার: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। এর মধ্যে শ্বেত রক্তকণিকা আবার পাঁচ ধরনের হয়। রক্তকণিকাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. লোহিত রক্তকণিকা (Erythrocytes): এটি রক্তের সবচেয়ে প্রধান ও বেশি পরিমাণে থাকা কণিকা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. অণুচক্রিকা (Thrombocytes): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে ভূমিকা রাখে।
৩. শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এগুলো প্রধানত পাঁচ ধরনের হয়:
নিউট্রোফিল (Neutrophils): ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
লিম্ফোসাইট (Lymphocytes): অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং ভাইরাস ধ্বংস করে।
মনোসাইট (Monocytes): মৃত কোষ ও জীবাণু ভক্ষণ করে।
ইওসিনোফিল (Eosiniphils): অ্যালার্জি ও পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
বেসোফিল (Basophils): প্রদাহ ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় কাজ করে
জব সলুশন