পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমার ১৯৪৫ সালে পারমাণবিক বোমা আবিস্কার করেন। ১৬ জুলাই ১৯৪৫ যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালায়। ৬ আগষ্ট ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ৮ টি দেশ পারমাণবিক বোমার অধিকারী।
Related Questions
ভাইকিং (Viking) কর্মসূচির অধীনে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা (NASA) ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে মঙ্গলগ্রহে দুটি রোবোটিক মহাকাশযান পাঠিয়েছিল। ভাইকিং ১ এবং ভাইকিং ২ মহাকাশযান দুটি মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠে অবতরণ করে এবং সেখানে জীবনের সন্ধান সহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়।
কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে, যার ফলে শব্দ এক কণা থেকে অন্য কণা খুব দ্রুত পরিবহন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বাতাসে শব্দের গতি যেখানে সেকেন্ডে প্রায় ৩৪৩ মিটার, সেখানে লোহার মতো কঠিন মাধ্যমে তা প্রায় ৫,১২০ মিটার এবং হীরা বা বেরিলিয়ামের মতো পদার্থে তা আরও অনেক বেশি।
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে এর কম্পাঙ্ক কমে অর্ধেক হবে।
সরল দোলকের দোলনকালের সূত্র হল:
T = 2π√(l/g)
যেখানে,
T হল দোলনকাল
l হল দোলকের দৈর্ঘ্য
g হল মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ
যদি মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ 9 গুণ বাড়ে, তাহলে সূত্রটি হবে:
T' = 2π√(l/9g)
T' = T/3
সুতরাং, দোলনকাল 3 গুণ কমে যাবে
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায় বায়ুর চাপ কম থাকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে যাওয়া যায়, বায়ুমণ্ডলের চাপ তত কমতে থাকে। এই কম বায়ুর চাপের কারণে শরীরের ভেতরের রক্তনালীগুলোর ভেতরের চাপ বাইরের বায়ুমণ্ডলের চাপের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। এর ফলে নাকের ভেতরের পাতলা ও সংবেদনশীল রক্তনালীগুলো ফেটে গিয়ে রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া, বেশি উচ্চতার ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস নাককে শুকিয়ে দেয়, যা রক্তপাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।
কোবাল্ট একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ। এটি লোহা এবং নিকেলের মতো ফেরোম্যাগনেটিক (ferromagnetic) বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, অর্থাৎ এটি চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং নিজে চুম্বকে পরিণত হতে পারে।
জব সলুশন