ভবন নির্মাণের সময় কি মেনে চলা বাধ্যতামূলক?
ভবন নির্মাণের সময় বিল্ডিং কোড মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
১৯৯৩ সালের ২৮শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড ১৯৯৩’ অনুমোদন করা হয়। তখন পর্যন্ত কোড বাস্তবায়নের পক্ষে কোনো আইন অথবা কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না। ফলে নির্মাণের সাথে যুক্ত ভবনের মালিক থেকে শুরু করে ডিজাইনার বা স্থানীয় কোনো কর্তৃপক্ষের (যথা: রাজউক) বিল্ডিং কোড অনুসরণের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। কোড থাকলেও সেটার অনুসরণ ছিল ভলান্টিয়ারি। অনেক পরে ২০০৬ সালে এসে ১৯৫২ সালের বিল্ডিং কন্সট্রাকশন অ্যাক্ট সংশোধন করে তাতে ১৮(ক) অনুচ্ছেদ যুক্ত করে ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড’ এর পক্ষে একটা আইনগত ভিত্তি দেয়া হয় এবং ২০০৬ সালে বিল্ডিং কোডটি যুগোপযোগী করে সংশোধন করা হয়। ১৯৫২ সালের নির্মাণ আইন সংশোধন করে বিল্ডিং কোড অনুচ্ছেদ তৈরী করা হলেও নির্মাণের সাথে যুক্ত জটিলতা নিরসনে সেটা যথেষ্ট ছিল না। ফলে বিল্ডিং কোডকে বাস্তবায়ন করবে এবং কীভাবে করবে সেই প্রশ্নটির কোনো সূরাহা হয়নি। ২০০৬ এর মতো ২০১৫ সালের বিল্ডিং কোডেও প্রশাসনিক কাঠামোর একটা প্রস্তাবনা রাখা হয়েছে।
Related Questions
বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত পরস্পরকে ছুঁয়েছে - - রাঙামাটিতে।
রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি একটি পার্বত্য জেলা। এ জেলার দক্ষিণে বান্দরবান জেলা, পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা ও খাগড়াছড়ি জেলা, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ এবং পূর্বে ভারতের মিজোরাম প্রদেশ ও মায়ানমারের চিন প্রদেশ অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা, যার সাথে ভারত ও মায়ানমার দুটি দেশেরই আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম কে বাশার।
মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার (জন্ম: নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫ - মৃত্যু: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাব প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পৈতিক নিবাস বগুড়ায়।
মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার জুন মাস থেকে মুক্তিবাহিনীর ৬ নম্বর সেক্টরে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বৃহত্তর রংপুর ও বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে ছিল এ সেক্টর।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল জাপান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান - জার্মানি ও ইতালি শক্তিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়। জাপান ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে। এজন্য ১৯৪১ সালের ১ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
জব সলুশন