. 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'_ কার লেখা?
Related Questions
- ১৯৫২ সালর ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা সন অনুযায়ী ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ ফাল্গুন বৃহস্পতিবার ছিল ।
- এদিন বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় রফিক , জব্বার , বরকত প্রমুখ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন
⇒ ‘কাকে’ ডাকতে হবে? উত্তর হলো— ‘ডাক্তার’কে। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া (ডাকা) সম্পাদিত হয়, তাকে কর্ম কারক বলে।
⇒ এখানে ‘ডাক্তার’ শব্দটি কর্মপদ।
⇒ ‘ডাক্তার’ শব্দের শেষে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: -কে, -রে, -এর) যুক্ত নেই। মূল শব্দটিই বসেছে।
⇒ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দে কোনো বিভক্তি স্পষ্ট না থাকলে সেখানে ‘শূন্য বিভক্তি’ বা ‘প্রথমা বিভক্তি’ ধরা হয়।
⇒ সুতরাং, এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
বার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি' – বাক্যটি পুরাঘটিত বর্তমান কালের। যে ক্রিয়াটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফলাফল বা রেশ এখনও বর্তমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
কপোল' শব্দের প্রধান প্রতিশব্দ হলো গাল
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ হলো চির অশান্তি বা সর্বদাই জ্বলতে থাকা দুঃখ-কষ্ট l হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী রামায়ণ অনুসারে, লঙ্কার রাজা রাবণ রামের হাতে নিহত হওয়ার পর তার শবদাহ করা হয়েছিল। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, রাবণের সেই চিতার আগুন আর কখনো নেভেনি। সেই চিরকাল জ্বলতে থাকা আগুনের উপমা থেকেই এই বাগধারাটির জন্ম, যা মানুষের জীবনের এমন কোনো দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তিকে বোঝায় যা সহজে দূর হয় না।
জব সলুশন