’প্রত্যুষ’ শব্দর সন্ধি বিচ্ছেদ করুন।
ই-কার কিংবা ঈ - কার এর পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' বা য ফলা হয়। য ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয় ।
যেমনঃ
য/য-ফলা + ঊ = ই/ঈ+ঊ
প্রত্যূষ = প্রতি + ঊষ
অত্যূর্ধ্ব = অতি + ঊর্ধ্ব
নদ্যূর্মি = নদী + ঊর্মি
Related Questions
'কচু বনের কালাচাঁদ' বাগধারাটির সঠিক অর্থ অপদার্থ বা অকর্মণ্য। এটি মূলত এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যে কোনো কাজের নয় এবং শুধু অহেতুক সময় নষ্ট করে l
বাংলা ব্যাকরণে যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার।
১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে (যেমন: নীল কণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ)।
২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হলে (যেমন: বীণা পাণিতে যার = বীণাপাণি)।
৩. ব্যতিহার বহুব্রীহি: পরস্পর একজাতীয় কাজ বা ক্রিয়া বোঝালে (যেমন: লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি)।
৪. নঞ্ বহুব্রীহি: পূর্বপদ না-বোধক (নঞ্) অব্যয় হলে (যেমন: নাই জ্ঞান যার = অজ্ঞান)।
৫. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: মাঝের পদের লোপ হলে (যেমন: চন্দ্রের মতো মুখ যে নারীর = চন্দ্রমুখী)।
৬. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি: সমস্ত পদের শেষে আ, ঈ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হলে (যেমন: অধিক কথা বলে যে = কথাবৃত্ত)।
৭. অলুক বহুব্রীহি: সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তির লোপ না পেলে (যেমন: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ)।
৮. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি: পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হলে (যেমন: দশ আনন যার = দশানন)।
সঠিক উত্তর দিব্যি দেয়া
বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না’ - এখানে ‘মাথা খাও’ দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বরণের যোগ্য যিনি— এই বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য।
'উপচার্য' শব্দটি অশুদ্ধ l এই শব্দের সঠিক বা শুদ্ধ বানানটি হলো 'উপাচার্য' অর্থ: সহকারী আচার্য 。 এটি (উপ + আচার্য) সন্ধি বা প্রত্যয়জাত একটি শব্দ l
সঠিক উত্তর নিন্দিত
নন্দিত শব্দের অর্থ - আনন্দিত, অভিনন্দিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। নিন্দিত শব্দের অর্থ - অপদস্থ, লাঞ্চিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। তাই নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দিত।
জব সলুশন