’প্রত্যুষ’ শব্দর সন্ধি বিচ্ছেদ করুন।
ই-কার কিংবা ঈ - কার এর পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' বা য ফলা হয়। য ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয় ।
যেমনঃ
য/য-ফলা + ঊ = ই/ঈ+ঊ
প্রত্যূষ = প্রতি + ঊষ
অত্যূর্ধ্ব = অতি + ঊর্ধ্ব
নদ্যূর্মি = নদী + ঊর্মি
Related Questions
'কচু বনের কালাচাঁদ' বাগধারাটির সঠিক অর্থ অপদার্থ বা অকর্মণ্য। এটি মূলত এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যে কোনো কাজের নয় এবং শুধু অহেতুক সময় নষ্ট করে l
সঠিক উত্তর দিব্যি দেয়া
বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না’ - এখানে ‘মাথা খাও’ দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বরণের যোগ্য যিনি— এই বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য।
'উপচার্য' শব্দটি অশুদ্ধ l এই শব্দের সঠিক বা শুদ্ধ বানানটি হলো 'উপাচার্য' অর্থ: সহকারী আচার্য 。 এটি (উপ + আচার্য) সন্ধি বা প্রত্যয়জাত একটি শব্দ l
সঠিক উত্তর নিন্দিত
নন্দিত শব্দের অর্থ - আনন্দিত, অভিনন্দিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। নিন্দিত শব্দের অর্থ - অপদস্থ, লাঞ্চিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। তাই নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দিত।
জব সলুশন