জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয় কোনটি?
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯৭ মিলিয়ন স্বেচ্ছাসেবী, সদস্য এবং কর্মী সহ একটি আন্তর্জাতিক মানবিক আন্দোলন যা মানুষের জীবন এবং স্বাস্থ্য রক্ষা, সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা, এবং মানুষের দুর্ভোগ প্রতিরোধ ও লাঘব করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ।
- রেডক্রসের বর্তমান সদস্য সংখ্যা——– ১৯২ টি
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস’ এর সদর দপ্তর অবস্থিত——–জেনেভায়
- রেডক্রস এর প্রতিষ্ঠাতা——-হেনরি ডুনান্ট (সুইজারল্যান্ড)
- রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয় —— ৯ ফেব্রয়ারি ১৮৬৩ সালে
- রেডক্রস হলো——– বিশ্বের দুঃস্থ মানবতার সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা
- মুসলিম বিশ্বে রেডক্রস পরিচিত — রেড ক্রিসেন্ট নামে
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ,বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ।
Related Questions
কোন জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে
✔Adult cell ক্লোন করে ড ইয়ান উইলমুট সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্য একটি ভেড়ার জন্ম দিয়েছে যার নাম "ডলি"।
✔৫জুলাই,১৯৯৬ সালে ডলির জন্ম হয়।আর্থাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৪ ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৩ সালে ডলি মারা যায়।
বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধূরী তৈরি করেন। এর সূত্র ধরেই ১৯৮৫ সালে শহীদ লিপি নামে প্রথম বাংলা লেখার সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়।
বিজয় কিবোর্ড হল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস এবং লিনাক্স-এ গ্রাফিক্যাল লেআউট পরিবর্তক এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই সমর্থিত বাংলা লেখার সফটওয়্যার।
বিজয় এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮৮ সালে যা ইউনিকোড ভিত্তিক অভ্র কী-বোর্ড আসার পূর্বপর্যন্ত বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের ১০ নম্বর সেক্টর কেবল নৌ-কমান্ডোদের দ্বারা গঠিত হয়েছিল। এই সেক্টরের অধীনে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ, উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে অভিযান পরিচালনার জন্য নৌ-কমান্ডোদের রাখা হয়েছিল। ১০ নম্বর সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিল না এবং এটি সরাসরি মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হতো।
বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী । এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে । এটি চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটির প্রধান নদী । এর প্রধান উপনদী কাসালং ,হালদা এবং বোয়ালখালী
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো। ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে। বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- বাংলার আদিম অধিবাসী : কোল, ভেল, সাঁওতাল, মুক্তা প্রভৃতি উপজাতি
- বাংলার আদি জনপদগুলোর জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল : অস্ট্রিক
- বাংলাকে সাম্রাজ্যভূক্ত করা হয় : মৌর্যদের আমল থেকে
- বাংলার স্বাধীন রাজ্যের গোড়াপত্তন হয় : মৌর্যযুগে
- আর্যদের আগমনের পূর্বে এ অঞ্চলে বসবাস ছিল : অনার্যদের
- বাঙালি জাতি গড়ে ওঠে : অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে.
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলু হল - বঙ্গ , গৌড় ,পুণ্ড্র ,সমতট , উত্তর , রার, দক্ষিণ রার ।
- মৌর্য নামে প্রাচীন বাংলার একটি রাজবংশ বিদ্যমান ছিল ।
জব সলুশন