নিচের কোন শব্দটি সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী?
Related Questions
• বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০ টি।
- তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং
- ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯।
• মাত্রাহীন - ১০ টি।
- স্বরবর্ণ ৪টি ( এ,ঐ,ও,ঔ)।
- ব্যঞ্জনবর্গ ৬টি (ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ)
• অর্ধমাত্রা - ৮টি।
- স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) ।
- ব্যঞ্জনবর্গ ৭টি ( খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)।
• পূর্ণ মাত্রা - ৩২ টি।
- স্বরবর্ণ ৬টি
- ব্যঞ্জনবর্গ ২৬টি।
অর্থ অনুসারে বাংলা ব্যাকরণে ‘হরিণ’ একটি রূঢ়ি শব্দ。 [1, 2]
ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন— বুৎপত্তিগত অর্থে ‘হরিণ’ শব্দের অর্থ হলো— যা হরণ করে বা টেনে নেয়। কিন্তু এর সাধারণ অর্থ না দাঁড়িয়ে, শব্দটি বাংলা ভাষায় একটি নির্দিষ্ট প্রাণী (মৃগ বা পশুবিশেষ)-কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি রূঢ়ি শব্দ। [1, 2]
'পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যে জল হলো কর্তৃকারকে শূন্য (০) বিভক্তি। [1]
যেহেতু নিজে থেকেই জল নিচে নামছে বা গড়িয়ে পড়ছে, তাই এখানে 'জল' হলো কর্তা এবং এর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
মহকুমা শব্দটি মূলত একটি আরবি শব্দ। [1]
এটি বাংলায় আগত একটি পারিভাষিক শব্দ, যা আরবি ‘মাকাম’ (Maqam) বা ‘মহকুমা’ জাতীয় প্রশাসনিক ধারণা থেকে উদ্ভূত。 প্রশাসনিক কাজে জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। [1, 2, 3]
জব সলুশন