শরীর > শরীল - শব্দটিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য?
বিষমীভবন।
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমন - শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি ।
Related Questions
- শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত, শব্দনিৰ্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া, পারিভাষিক শব্দ, লিঙ্গ, বচন, পদাশ্রিত নির্দেশক, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ ও অনুসর্গ, ধাতু, পদ, অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়ামূল ও পুরুষ প্রভৃতি শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের আলোচিত বিষয়।
√ দীপ + শান্ চ
শানচ - প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ দীপ্যমান। কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ দীপ্যমান এর সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয় ; √ দীপ্ + শান্ চ = দীপ্যমান। এরূপ - √ চল + শানচ = চলমান, √ বৃধ + শানচ = বর্ধমান।
একনজরে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী: বীরপ্রসূ
অতি গুণবান পুত্রের জননী: রত্নগর্ভা
যে নারী বীর: বীরাঙ্গনা
যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে: মৃতবৎসা
যে নারী প্রথম সন্তান প্রসব করেছে: প্রসূতি (বা প্রথম প্রসবের ক্ষেত্রে 'প্রথমা প্রসূতি')
অধিকরণে ৭মী।
ক্রিয়ার আধার কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে একবার যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন - আকাশে চাঁদ উঠেছে ।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
উদাহরণস্বরূপ— 'আ' বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ' আকার' (া), 'ই' বর্ণের রূপ 'ই কার' (ি), এবং 'ঈ' বর্ণের রূপ 'ঈ কার' (ী)। মোট ১০টি স্বরবর্ণের কার চিহ্ন রয়েছে (আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ)। 'অ' বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্ন নেই।
জব সলুশন