মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) অনুমোদন ও প্রচার করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তা পাঠ করা হয়。 এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়.
Related Questions
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক। এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস।
১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
মারমা ও সাঁওতাল উভয়ই পিতৃতান্ত্রিক। তবে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের আদিবাসী। আর মারমা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের আদিবাসী নয়। তারা বার্মা (মিয়ানমার) থেকে আগত। এ অর্থে প্রশ্নে উল্লিখিত বাংলাদেশী উপজাতি বলতে সাঁওতালকে সঠিক বলা যেতে পারে। বাংলাদেশের আরেকটি পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি হলো হাজং । খাসিয়া ও গারো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
বাংলাদেশে প্রায় অর্ধশতাধিক শিপইয়ার্ড এবং শতাধিক মেরিন ওয়ার্কশপ সক্রিয় রয়েছে। শিপইয়ার্ডগুলির ৭০% ঢাকা এবং এর আশেপাশে অবস্থিত, ২০% চট্টগ্রামে এবং ১০% খুলনা ও বরিশালে অবস্থিত। দেশের প্রায় সকল অভ্যন্তরীণ এবং সমুদ্র উপকূলীয় জাহাজ এই সব শিপইয়ার্ডে নির্মাণ এবং মেরামত হয়ে থাকে। স্থানীয় চাহিদা পূরণের জন্য এসব শিপইয়ার্ড ৩৫০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজের ডিজাইন তৈরি এবং নির্মাণ করে থাকে। বেশিরভাগ শিপইয়ার্ডই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে থাকে; এতে সরকারের পর্যবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ অতি সামান্য। বছর প্রতি নতুন নির্মিত জাহাজের সংখ্যা গড়ে ২৫০। এ কাজে শিপইয়ার্ডগুলি বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও অদক্ষ জনশক্তি নিয়োগ করে থাকে। বেশিরভাগ ব্যক্তি মালিকানাধীন শিপইয়ার্ড মার্চেন্ট শিপের পুরানো প্লেট, ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে যা ভাটিয়ারী অঞ্চলে জাহাজভাঙ্গা কারখানা থেকে সংগ্রহ করা হয়। ইতোমধ্যে দেশের বেশ কিছু শিপইয়ার্ড ১০,০০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ তৈরি করার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে (বর্তমানে ৬৭২ জন) চারটি বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয় সাতজনকে।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ (সাবেক ইপিআর)
- সিপাহী মোস্তফা কামাল (সেনাবাহিনী)
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (বিমানবাহিনী)
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ (সাবেক ইপিআর)
- সিপাহী হামিদুর রহমান (সেনাবাহিনী)
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন (নৌবাহিনী)
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (সেনাবাহিনী)।
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (ভারতের কাছে 'পূর্বাশা' বা 'নিউ মুর' নামে পরিচিত) হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত ছিল। এটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ছিল। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ২০১০ সালের দিকে দ্বীপটি সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যায়।
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা করেছেন প্রখ্যাত স্থপতি মঈনুল হোসেন। এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মরণে নির্মিত।
জব সলুশন