কোনটি জাতিসংঘের বহুমুখী কারীগরী ও প্রাক বিনিয়োগ সহযোগীতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম?
- জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের নাম হল জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)।
- UNDP ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- উন্নয়নশীল দেশের প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে সাহায্যকারী সংস্থা।
- এটির সদর দপ্তর নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)।
Related Questions
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়ে থাকে।
অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস পালিত হয়ে থাকে।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) অনুমোদন ও প্রচার করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তা পাঠ করা হয়。 এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়.
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক। এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস।
১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
মারমা ও সাঁওতাল উভয়ই পিতৃতান্ত্রিক। তবে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের আদিবাসী। আর মারমা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের আদিবাসী নয়। তারা বার্মা (মিয়ানমার) থেকে আগত। এ অর্থে প্রশ্নে উল্লিখিত বাংলাদেশী উপজাতি বলতে সাঁওতালকে সঠিক বলা যেতে পারে। বাংলাদেশের আরেকটি পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি হলো হাজং । খাসিয়া ও গারো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
বাংলাদেশে প্রায় অর্ধশতাধিক শিপইয়ার্ড এবং শতাধিক মেরিন ওয়ার্কশপ সক্রিয় রয়েছে। শিপইয়ার্ডগুলির ৭০% ঢাকা এবং এর আশেপাশে অবস্থিত, ২০% চট্টগ্রামে এবং ১০% খুলনা ও বরিশালে অবস্থিত। দেশের প্রায় সকল অভ্যন্তরীণ এবং সমুদ্র উপকূলীয় জাহাজ এই সব শিপইয়ার্ডে নির্মাণ এবং মেরামত হয়ে থাকে। স্থানীয় চাহিদা পূরণের জন্য এসব শিপইয়ার্ড ৩৫০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজের ডিজাইন তৈরি এবং নির্মাণ করে থাকে। বেশিরভাগ শিপইয়ার্ডই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে থাকে; এতে সরকারের পর্যবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ অতি সামান্য। বছর প্রতি নতুন নির্মিত জাহাজের সংখ্যা গড়ে ২৫০। এ কাজে শিপইয়ার্ডগুলি বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও অদক্ষ জনশক্তি নিয়োগ করে থাকে। বেশিরভাগ ব্যক্তি মালিকানাধীন শিপইয়ার্ড মার্চেন্ট শিপের পুরানো প্লেট, ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে যা ভাটিয়ারী অঞ্চলে জাহাজভাঙ্গা কারখানা থেকে সংগ্রহ করা হয়। ইতোমধ্যে দেশের বেশ কিছু শিপইয়ার্ড ১০,০০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ তৈরি করার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
জব সলুশন