ব্যাকরণের কোন অংশে কারক সম্বদ্ধে আলোচনা করা হয়?
ব্যাকরণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম এবং অর্থতত্ত্ব। শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমাস ,কারক, বচন, উপসর্গ, প্রত্যয়, বিভক্তি, লিঙ্গ।
Related Questions
উপাকারীর উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ।
ঈমান নেই যার - বৈঈমান।
উপকারীর অপকার করে যে - কৃতঘ্ন।
কর্ম ও ভাববাচ্যের ধাতুর ধাতুর পরে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: বচ্ + তব্য = বক্তব্য।
সংশয় শব্দের সবচেয়ে বিপরীত শব্দ হলো প্রত্যয়
"শুকুনি মামা" (বা শকুনি মামা) বাগধারাটির অর্থ হলো "কুচক্রী লোক" বা "ধূর্ত ও ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি"। মহাভারতের চরিত্র শকুনির নামানুসারে এটি বাংলায় এমন একজন আত্মীয় বা মানুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যিনি মিষ্টি কথার আড়ালে সবসময় কূটবুদ্ধি বা চক্রান্ত করেন।
বাল্মীকি বানানটি শুদ্ধ (বা।ল্।মী।কি)। বানানের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ঈ-কার এবং শুরুতে ই-কার বা ঈ-কার দুটোই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বেশিরভাগ প্রমিত বাংলা অভিধানে বাল্মীকি (ব-আ ল-ম-দীর্ঘ ঈ-ক-র-স্ব ই) বহুল ব্যবহৃত ও আদর্শ বানান
সাধু রীতিতে অব্যয় পদের দীর্ঘ (সংক্ষিপ্ত বা পূর্ণ) রূপ হয় না। সাধু ও চলিত ভাষার মধ্যে পার্থক্য এবং এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ক Pathok BD রিসোর্সটি দেখতে পারেন। [1]
জব সলুশন