কোনটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি?
'ম' একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি বা একে অপরের স্পর্শে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় 'প' বর্গীয় সবগুলো বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি
Related Questions
'অদ্য' শব্দটি সাধু ভাষারীতির , এই তৎসম বা সংস্কৃতজাত শব্দটির চলিত রূপ হলো 'আজ'। সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যে এরকম শব্দ প্রায়শই ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তৈল একটি রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ, যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রুঢ়ি শব্দ বলে। উদাহরণস্বরূপ, 'তৈল' শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ 'তিল থেকে উৎপন্ন যে কোনো স্নেহপদার্থ', কিন্তু বর্তমানে এটি কেবল 'সরিষার তেল'-কেই বোঝায়। অন্যদিকে, যোগরূঢ় শব্দ হলো সমাস নিষ্পন্ন এমন কিছু শব্দ যা সমস্যমান পদগুলোর সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায়। যোগরূঢ় শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ হলো পঙ্কজ l
'ষষ্ঠ'-এর সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো ষষ্ + থ
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য 'ষ্'-এর পরে 'ত্' বা 'থ' থাকলে, 'ত্' বা 'থ'-এর স্থানে যথাক্রমে 'ট' বা 'ঠ' হয়। যেহেতু এখানে 'ষ্' এর পরে 'থ' রয়েছে, তাই সেটি পরিবর্তন হয়ে 'ঠ' রূপ ধারণ করে (ষষ্ + থ = ষষ্ঠ)।
বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ প্রধানত দুটি:
১. মৌখিক রূপ (কথ্য ভাষা)
২. লৈখিক রূপ (লেখ্য ভাষা)
যে স্বরধ্বনিকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে。বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি । ধ্বনিগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা
বাংলা ভাষা মূলত ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে উদ্ভূত হয়ে মাগধী প্রাকৃত এবং গৌড়ীয় অপভ্রংশ বা মাগধী অপভ্রংশের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে।
ভাষাবিদদের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিম্নরূপ:
আদি উৎস: ইন্দো-ইউরোপীয় (Indo-European) ভাষা পরিবার
প্রাচীন ভারতীয় আর্য: বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা
মধ্য ভারতীয় আর্য: পালি ও প্রাকৃত ভাষা (বিশেষ করে মাগধী প্রাকৃত) চূড়ান্ত রূপ: গৌড়ীয় অপভ্রংশ বা বঙ্গ-কামরূপী
বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে বিখ্যাত ভাষাবিদদের মতামতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে:
১. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মত: তাঁর মতে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হয়ে মাগধী অপভ্রংশ বা গৌড়ীয় অপভ্রংশ হয়ে দশম শতাব্দীতে (১০০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে) আত্মপ্রকাশ করে।
২. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত: তাঁর মতে, বাংলা ভাষা এসেছে গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে। তিনি প্রাচীন গৌড়ীয় অপভ্রংশকে বাংলার সরাসরি উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
জব সলুশন