সমাসের রীতি কোন ভাষা হতে আগত ?

ক) আরবী
খ) সংস্কৃত
গ) ফারসি
ঘ) ইংরেজি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। সমাস মানে সংক্ষেপ , মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের একপদীকরণ । অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের একসঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।

Related Questions

ক) ঘরে-বাইরে
খ) ঘর-বাড়ি
গ) ভাই-বোন
ঘ) আমরা
Note :

যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: ঘরে-বাইরে, দুধে - ভাতে,  জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।

ক) দ্বন্দ্ব সমাস
খ) অব্যয়ীভাব সমাস
গ) বহুব্রীহি সমাস
ঘ) তৎপুরুষ সমাস
Note :

অনুচিত - ন (নয়) উচিত - নঞ তৎপুরুষ সমাস ।

ক) কর্মধারয়
খ) বহুব্রীহি
গ) তৎপুরুষ
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

আশীতে(দাঁতে) বিষ যার - আশীবিষ। এটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।

বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনটিই যদি বিশেষণ না হয়, , তবে তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।

ক) অব্যয়ীভাব
খ) তৎপুরুষ
গ) বহুব্রীহি
ঘ) কর্মধারয়
Note :

পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে,  জন্য,  নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়,  তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।  যেমন: গুরুকে ভক্তি =  গুরুভক্তি,  আরামের জন্য কেদারা =  আরামকেদারা,  বসতের নিমিত্ত বাড়ি =  বসতবাড়ি,  বিয়ের জন্য পাগলা =  বিয়েপাগলা ইত্যাদি।

ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) কর্মধারায়
ঘ) তৎপুরুষ
Note :

যে সমাসের সমস্ত পদে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান না হয়ে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। যথাঃ ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৪. ব্যতিহার বহুব্রীহি ৫. অলুক বহুব্রীহি ৬. নঞ্চ বহুব্রীহি ৭. প্রত্য্যান্ত বহুব্রীহি ও ৮. দ্বিগু বা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। এদের মধ্যে ‘লাঠালাঠি’ শব্দের ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ - লাঠালাঠি। একইরুপে দুটি বিশেষ্য পদ একসঙ্গে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয় তাকে বলা হয় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।

ক) প্রাদি সমাস
খ) দ্বিগু সমাস
গ) অব্যয়ীভাব সমাস
ঘ) নিত্য সমাস
Note :

নিত্য সমাস
যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন